পটুয়াখালী সদর উপজেলার পশুরীবুনিয়া গ্রামের কৃষকদের মধ্যে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, টেকসই ধান উৎপাদন এবং কৃষকের আয় ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) স্যাটেলাইট স্টেশন-পটুয়াখালীর ব্যবস্থাপনায় ‘স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)’ প্রকল্পের আওতায় এ উপকরণ বিতরণ করা হয়। কৃষকদের মধ্যে ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম ও জিংক সারসহ কীটনাশক, বালাইনাশক এবং সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর উপপরিচালক মো. আমানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন-পটুয়াখালীর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কার্যালয়প্রধান ড. মুহম্মদ আশিক ইকবাল খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমানুল ইসলাম বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকেরা প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জোয়ার-ভাটা ও জলাবদ্ধতাসহ নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। এসব প্রতিকূলতা মোকাবিলায় আমন মৌসুমে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু-সহনশীল ধানের জাতের চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ড. আশিক ইকবাল খান বলেন, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য হলো স্থানভিত্তিক কৃষি সমস্যা চিহ্নিত করে উপযোগী ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তা কৃষকের মাঠে সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা। পশুরীবুনিয়া প্রযুক্তি গ্রামের কৃষকদের কাছে আধুনিক ধানের জাত ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন অর্জনের ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী বলেও জানান তিনি।








