পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ব্যস্ততম নৌবানিজ্যিক কেন্দ্র আউলিয়াপুর লঞ্চঘাট এখন ভোগান্তির কারন হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের(বিআইডব্লিউটিএ)স্থাপিত পল্টুনটি সংযোগ জেটি থেকে কাঠের পাটাতন ভেঙ্গে পড়ে গেছে। ফলে নদী পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে। পল্টুনটি দীর্যদিন ধরে সংস্কার কিংবা পুন:নির্মান না করায় চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার শত শত যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে উঠানামা করে থাকে।সরেজমিনে দেখা যায়,আউলিয়াপুর লঞ্চঘাটের পল্টুনটি সংযোগ স্থাপনকারী সড়কসহ পুরো অংশই ভেঙ্গে পড়ে গেছে। এর ফলে পল্টুনটি জেটি থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে কাঠের ভাঙ্গা পাটাতনের উপর দিয়েই যাত্রীদেরকে ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে উঠানামা করতে হয়। নদীতে জোয়ারের সময় পানি বাড়লে লঞ্চ কোনভাবে তীরের কাছে নোঙ্গর করা সম্ভব হলেও ভাটার সময় পরিস্থিতি বেশ খারাপ হয়ে যায়। উপজেলার এই লঞ্চঘাটটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ন বানিজ্যিক নৌ যোগাযোগ কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি রয়েছে। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ঢাকাসহ বরিশাল, ভোলা, চট্রগ্রাম, চাঁদপুর, রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, কলাপাড়া, চরফ্যাশন, মনপুরা ও নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে সর্বাধিক যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া ব্যবসা বানিজ্যের জন্য এই নৌ রুটের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ঢাকাগামী মহিলা যাত্রী আসমা বেগম জানান,শিশুদেরকে নিয়ে লঞ্চে উঠানামা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে পা পিছলে নীচে পড়ে যাবার ভয় থাকে। ভোলাগামী যাত্রী কবির হোসেন জানান,পল্টুনে ঝুঁকি নিয়ে উঠতে হয়। কাঠের সরু সিড়ি দিয়ে লঞ্চে উঠতে গিয়ে অনেক সময় যাত্রীদেরকে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। সঙ্গে মালপত্র থাকলে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) এই বিষয়ে কোন নজরদারী নেই বললেই চলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সূত্র থেকে জানা যায়,পল্টুনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া
উপজেলার হাজিরহাট, বাঁশবাড়িয়া ও আউলিয়াপুর লঞ্চঘাটের পল্টুনগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংস্কার করা হবে।








