পটুয়াখালীতে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারে ঘোরানোর সময় একটি মহিষের আক্রমণে নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। অপরজন পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের হেতালিয়াবাদ এলাকার বাজারসংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—হেতালিয়া বাধঘাট এলাকার আজিজুল (৩৫), আলামিন (৫০) ও জেসমিন (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী শহরের কলাতলা মোড় এলাকায় প্রতি শুক্রবার মহিষ জবাই করে মাংস বিক্রি করা হয়। এ উপলক্ষে আগেভাগেই শহরের বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় মহিষ ঘুরিয়ে বিক্রির প্রচারণা চালানো হয়। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার একটি মহিষ নিয়ে হেতালিয়াবাদ এলাকার বাজারসংলগ্ন স্থানে ঘোরানো হচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ মহিষটি বেপরোয়া হয়ে পথচারীদের ওপর আক্রমণ শুরু করে।
প্রথমে পথচারী জেসমিনকে আক্রমণ করে মহিষটি। এতে তিনি আহত হন। পরে তাঁকে অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মহিষটি আবারও আক্রমণ করে। এ সময় জেসমিনকে রক্ষা করতে গিয়ে আজিজুল ও আলামিন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। একপর্যায়ে স্থানীয়রা মহিষটিকে আটক করে বেঁধে রাখেন।
আহত আলামিনের স্বজন মোকলেছ জানান, জেসমিনকে অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মহিষটি আবারও আক্রমণ করে। এতে আলামিন আহত হন। পরে তাঁকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজিব হোসেন বলেন, মহিষের আক্রমণে আহত তিনজন হাসপাতালে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। অপর একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। মহিষটি স্থানীয়রা বেঁধে রেখেছেন। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







