পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অর্থ ও হিসাব বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ নিজাম উদ্দিনের অকালমৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স কক্ষে এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলাম টিটোর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম।
এ সময় বক্তব্য দেন বিএএম অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বদিউজ্জামান, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক এম. জহুরুল হক, পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান, অধ্যাপক ড. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, অধ্যাপক ড. লোকমান আলী, অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. জসীমউদ্দিন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের উপপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান সবুজসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, সৈয়দ নিজাম উদ্দিন ছিলেন অত্যন্ত সৎ, কর্তব্যপরায়ণ ও একনিষ্ঠ একজন কর্মকর্তা। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে তাঁর সততা ও দক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কর্মক্ষেত্রের বাইরেও তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ, সদা হাস্যোজ্জ্বল, সজ্জন ও প্রাণবন্ত মানুষ। সবার সঙ্গে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং মন খুলে কথা বলার বিরল মানবিক গুণ তাঁর মধ্যে ছিল।
তিনি আরও বলেন, তাঁর অকালপ্রয়াণ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। এ সময় উপাচার্য মরহুম সৈয়দ নিজাম উদ্দিনের ভালো গুণাবলি অনুসরণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. আবদুল কুদ্দুস।
উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ নিজাম উদ্দিন (৪৮)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে, অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।








