বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশে অবস্থিত কোরিয়ান দূতাবাসের সঙ্গে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে পবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান কোরিয়ান দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ৬ অক্টোবর মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় পবিপ্রবিতে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরিতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
মতবিনিময় সভায় পবিপ্রবি ও কোরিয়ান দূতাবাসের মধ্যে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য একটি কার্যকর সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পাদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় পবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, কোরিয়ান দূতাবাসের থার্ড সেক্রেটারি সু হিউন এবং সিনিয়র কনসুলার অ্যান্ড সিকিউরিটি অফিসার শিন জি ইউন উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বায়নের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে কোরিয়ান ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, গবেষণা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে নিজেদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ পেতে পারেন। পবিপ্রবিতে এ কার্যক্রম চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রও আরও বিস্তৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।









