পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ট্রান্সফরমার চুরির পর ১৫ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন ৫৯ পরিবার। নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। পরিবারগুলোর প্রশ্ন—সংসার চালাতেই যেখানে হিমশিম, সেখানে এত টাকা তারা দেবেন কীভাবে?
আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিকাংশ বাসিন্দাই দিনমজুর। দিন এনে দিন খাওয়া এসব পরিবারের অনেকেরই সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। এর মধ্যে নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে, যা মড়ার উপর খাড়ার ঘাঁ।
বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে ছোট শিক্ষার্থীরা। রাতে পড়াশোনা করতে পারছে না তারা। একইসঙ্গে অন্ধকারে চলাফেরাতেও তৈরি হয়েছে ভোগান্তি।
SOT: শিক্ষার্থী
শুধু পড়াশোনা নয়, রাত নামলেই পুরো প্রকল্পজুড়ে নেমে আসে অন্ধকার। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের নিয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
মোহাম্মাদ আবুল কাশেম, জেনারেল ম্যানেজার, পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, জানান
প্রথমবার ট্রান্সফরমার চুরি হলে ৫০ শতাংশ এবং দ্বিতীয়বার চুরি হলে ১০০ শতাংশ ব্যয় গ্রাহকদের বহন করতে হয়, এবং টাকা তাৎক্ষণিক দিতে না পারলে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে রাঙ্গাবালী সাব-জোনাল অফিসের এজিএমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বিদ্যুৎ না থাকায় শিশুদের পড়াশোনা ও বয়স্কদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ভোগান্তি, অন্যদিকে নতুন ট্রান্সফরমারের ব্যয় বহনের চাপ। দ্রুত ট্রান্সফরমার স্থাপন করে এসব পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করতে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ
এলাকাবাসীর।









