পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ‘বুড়া গৌরাঙ্গ বালুমহাল’ ঘোষণার প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট তথ্য জানতে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন চেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সারায়াত-২ শাখা থেকে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো চিঠিতে হাইকোর্টের রিটের আদেশের কপি সংযুক্ত করা হয়েছে। চিঠিতে ‘বুড়া গৌরাঙ্গ বালুমহাল’ ঘোষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তথ্যসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ‘বুড়া গৌরাঙ্গ’ বালুমহাল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।
রিটের শুনানি শেষে গত ১৬ আগস্ট তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বালুমহাল ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও রুল জারি করা হয়।
রিটে অভিযোগ করা হয়, নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় ‘বুড়া গৌরাঙ্গ’ নামে বালুমহাল ঘোষণা করে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীভাঙন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
তবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আপাতত বালুমহাল বাতিলের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বরং বালুমহাল ঘোষণার প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় জরিপ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য চেয়ে প্রতিবেদন তলব করা হয়েছে।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, জেলা প্রশাসক মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবেন। মন্ত্রণালয় বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী নির্দেশনা দেবে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








