দুমকিতে মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “আপনারা আলেম সমাজের প্রায় সবাই মসজিদে ইমামতি করেন। ওই এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আপনাদের পেছনে নামাজ আদায় করেন। ইসলামের দৃষ্টিতে আপনারাই ওই সকল এলাকার নেতা। মাদক আমাদের তরুণ সমাজকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তারা চুরি, ছিনতাইয়ের মতো ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের নৈতিক শিক্ষা ও ইসলামী মূল্যবোধ উন্নয়নের মাধ্যমে সুপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করতে হবে।”
তিনি বলেন, “আপনারা মসজিদে খুতবার আগে মাদকবিরোধী আলোচনা করবেন। ওয়াজ মাহফিলসহ বিভিন্ন ফোরামে কোরআন-হাদিসের আলোকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব ও ভয়াবহতা তুলে ধরবেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ঐক্যবদ্ধ করে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন।”
“এর আগে আমাদের প্রত্যেকের পরিবার থেকেই এ প্রচারণা শুরু করতে হবে। পরিবার থেকেই প্রথমে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে,” বলেন ইউএনও।
তিনি আরও বলেন, “আমি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাদাভাবে মতবিনিময় করে মাদকের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে চাই। যুবকদের মাঝে মাদকের ভয়াবহ কুফল তুলে ধরতে হবে। তাই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে মতবিনিময় করে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, আইনগত অপরাধ ও এর শাস্তি এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর বিধিনিষেধ সম্পর্কে জানিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।”
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ইসলামী ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ারটেকার মো. নুরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান, মাওলানা আবু জাফর প্রমুখ।








