পটুয়াখালীতে ডায়াবেটিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিজের ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ করে গড়ে তোলেন ডায়াবেটিক সমিতি।
মোঃ জাহাঙ্গীর শিকদার এ সমতির অবৈতনিক সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে পটুয়াখালীতে ডায়াবেটিক চিকিৎসা সেবা বিস্তারে প্রদানের জন্য
প্রশাসনসহ ঢাকাসহ স্থানীয় বিত্তবান ব্যক্তিদের সহায়তায় সমিতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেন ডায়াবেটিক হাসপাতাল। বর্তমানে শহরের ব্যয়ামাগার সংলগ্ন সড়কের উত্তরপাশে তিনতলা বিশিস্ট বিশাল অবকাঠামোয় হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যা বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে বড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে উন্নীত হয়েছে। এখানে দক্ষ, অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্টাফদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এখানে কয়েক হাজার ডায়াবেটিক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। এ সবকিছুর উন্নয়নের কর্মযজ্ঞের ভূমিকায় ছিলেন মোঃ জাহাঙ্গীর শিকদার। তিনি আজ বেঁচে নেই। তাঁকে স্মরনে রাখার জন্য ডায়বেটিক সমিতি ও হাসপাতালের বর্তমান সভাপতি মানবিক জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সালাম খানসহ সংশ্লিস্ট সকল চিকিৎসক ও স্টাফগণের সম্মিলিত উদ্যোগে মরহুম জাহাঙ্গীর শিকদার কর্ণার উদ্বোধন কর হয়।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকাল ৪ টায় হাসপাতালের নীচতলায় ফিতাকেটি জাহাঙ্গীর শিকদার কর্ণার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রখ্যাত গ্যাষ্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগের জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এ.কে আজাদ খান ও নিউরোমেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, দন্ত বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ অরূপরতন চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আব্দুস সালাম খান, হাসপাতালের ডাঃ জয়গোপাল দাস, ডাঃ মেহনাজ হোসেন, তাঃ কাজী সাইদা নাসরিন, ডাঃ আবদুল্লাহ আল শাদিদ, ডাঃ মাহফুজা আইরিন ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছোটভাই ডায়াবেটিক সমিতির আজীবন সদস্য বাদল শিকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্টাফবৃন্দ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন নিউমার্কেট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা তাজুল ইসলাম আব্দুল্লাহ। এ সময় জাহাঙ্গীর শিকদার কর্ণার এর জন্য সভাপতি জেলা প্রশাসক ড.মোহাম্মদ শহীদ হোসপন চৌধুরীর হাতে দন্ত বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ অরূপরতন চৌধুরী ডায়াবেটিস বিষয়ের উপর তার নিজের লেখা একাধিক বই হস্তান্তর করেন। #









