কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্মাইল এশিয়ার ৮ম ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল মিশন ইন ঢাকা-এর সফল সমাপ্তি উপলক্ষে রাজধানীতে সেলিব্রেশন নাইট ও গালা ডিনারের আয়োজন করেছে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি।
মানবিক এ উদ্যোগে Proud CSR Partner হিসেবে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, স্মাইল এশিয়া, সাজিদা ফাউন্ডেশন এবং সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সঙ্গে যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। গত ১৮ থেকে ২২ জুলাই সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে অনুষ্ঠিত পাঁচ দিনব্যাপী মেডিকেল মিশনে জন্মগত ঠোঁটকাটা (ক্লেফট লিপ) সমস্যায় আক্রান্ত ১২০ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে ১০০ শিশুর বিনামূল্যে জীবন পরিবর্তনকারী ক্লেফট সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজ এবং সাজিদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদা ফিজ্জা কবির।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি, স্মাইল এশিয়ার সেক্রেটারি-জেনারেল অভিমন্যু তালুকদার, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক মো. এ. রাজ্জাক, ঢাকা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাক আহমেদ, এ এম এম মঈন উদ্দিন, আখলাকুর রহমান, শেখ আব্দুল বাকির, এস. এম. আবদুল্লাহ হিল কাফি ও মোকাররম হোসেন চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী এবং বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে ওসমান এরশাদ ফয়েজ বলেন, এ ধরনের অংশীদারত্ব বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর পাশাপাশি মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ ও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখে—এমন উদ্যোগে ঢাকা ব্যাংক ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকবে। পাশাপাশি এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা খাতের অংশীদার এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসক দলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক চিকিৎসক দল, উন্নয়ন সহযোগী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত অবদানের স্বীকৃতি জানানো হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যাতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হয়।









