পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ভাঙনকবলিত তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদী তীরবর্তী এলাকায় বালুমহাল ইজারা বাতিল এবং স্থায়ী নদী শাসন বাঁধ নির্মাণের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির নিকট লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙনের ফলে নাজিরপুর, কালাইয়া ও ধুলিয়া ইউনিয়নের হাজার হাজার একর ফসলি জমি, বসতভিটা, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে অসংখ্য পরিবার আজ ভূমিহীন ও মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এ অবস্থায় আগামী ১১ জুন ২০২৬ তারিখে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর তীরবর্তী এলাকায় বালুমহালের ইজারা কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনকবলিত এলাকায় বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদী ভাঙনের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং অবশিষ্ট জনপদও হুমকির মুখে পড়বে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট এলাকা সরকারি গেজেটভুক্ত বালুমহাল হলেও বর্তমান বাস্তবতায় এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙনপ্রবণ এলাকা। তাই পরিবেশ, জননিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনগণের জীবন-জীবিকার স্বার্থে উক্ত বালুমহালের ইজারা কার্যক্রম বাতিল করে এলাকাটিকে স্থায়ীভাবে বালুমহাল গেজেট থেকে অবমুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে নদী ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ ও নদী শাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।
এ বিষয়ে নাজিরপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ইসলাম শাহিন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।









