দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় নদীর ভাঙনে উপজেলার ৬টি গ্রামের সড়ক,ফসলি জমি ও বেড়িবাঁধ বিলীন হতে চলছে। নদীর ভাঙনের ফলে বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, হাজীরহাট ও আরজবেগীর বিভিন্ন স্থানে পূনরায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর ভাঙনের ফলে উপজেলার মানচিত্রই পাল্টে যাচ্ছে।
উপজেলার এই ৭টি ইউনিয়নে নতুন করে নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই ভাঙন অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা বিলীন হচ্ছে। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া,ঢনঢনিয়া, হাজীরহাটের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর এই ভাঙন তীব্র আকার ধারন করেছে। উপজেলার প্রধান দুইটি নদী তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদী এখন রাক্ষুসে রূপ নিয়েছে।
ভাঙনের তীব্রতায় উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া এবং সদর ইউনিয়নের হাজীরহাট, আরজবেগী গ্রাম এখন হুমকির মুখে রয়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানের মধ্যে ঢনঢনিয়া ও হাজীরহাট গ্রামের নদীর তীরবতর্ী এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন কবলিত এলাকার তীর রক্ষা বাঁধ যে কোন মুহুর্তে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তবে ভাঙন কবলিত হাজীরহাট ও ঢনঢনিয়া গ্রামের নদী তীরবতর্ী এলাকায় কোন ব্লক নিমার্ন না করায় নদীর এই অংশে সব চাইতে বেশী মাত্রায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নটির চারদিকেই নদী দ্বারা বেষ্টিত থাকায় জীবন ও জীবিকা, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং বাসস্থানসহ সকল নাগরিক অধিকার থেকে বাসিন্দারা বঞ্চিত রয়েছে। চরবোরহান ইউনিয়নটি উপজেলার মূল ভূখন্ড থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একটি ইউনিয়ন। ভূ-খন্ডের চারদিকে নদী থাকায় নৌপথই যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। প্রাকৃতিক দূযোর্গের সঙ্গে সংগ্রাম করে ইউনিয়নের বাসিন্দারা যুগের পর যুগ বসবাস করে আসছে। অথচ আধুনিক যুগে এসেও ইউনিয়নটিতে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। বর্তমানে চরবোরহান ইউনিয়ন নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। উপজেলাবাসী নদীর ভাঙন রোধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছে।








