বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে স্বর্গীয়া মুকুল রানী কর্মকারের আত্মার শান্তি কামনায় হুইল চেয়ার অনুদান দিয়ে স্বর্গীয়া মাতার অসিয়ত পূরন করলেন দুইপুত্র সঞ্জয় কর্মকার ও সনাতন কর্মকার।
রোববার (১০ মে) বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষে প্রধান শিক্ষিকা নূর-ই-রশিদ মাকছুদা লাইজু এর কাছে হুইলচেয়ার হস্তান্তর করেন স্বর্গীয়া মুকুল রানী কর্মকারের পুত্র সঞ্জয় কর্মকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা সুলতানা গুলশান আরা, জুনিয়র শিক্ষিকা কবিতা সিকদার, শিক্ষা সহকারি সোহেল মাতুব্বর, শিক্ষা সহকারি সালেহা বেগম, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, দুলাল হাওলাদারসহ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরাসহ অভিভাবক ও কর্মচারিবৃন্দ।
জানা গেছে, পুরান বাজারের বাসিন্দা ও পানজা বিড়ি লিঃ এর কর্মকর্তা সঞ্জয় কর্মকার এর মাতা মুকুল রানী কর্মকার (৫৯) ২০১৯ সালে তিনি হেমোরেজিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর ১৪ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন (ওঁ দিব্যান লোকান স্ব-গচ্ছতু)।
মৃত্যুকালে মুকুল রানী কর্মকার দুই ছেলের কাছে অসিয়ত করেছিলেন, তার মৃত্যুর পর একটি হুইল চেয়ার পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য দেয়ার জন্য। মৃত্যুর একমাস পর মাতৃভক্ত সুযোগ্য পুত্র সঞ্জয় কর্মকার ও সনাতন কর্মকার পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে হুইল চেয়ার অনুদান দিয়ে স্বর্গীয় মাতার অসিহত পূরন করলেন।
হুইল চেয়ার প্রাপ্তির পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নূর-ই-রশিদ মাকছুদা লাইজু মাতৃভক্ত সঞ্জয় কর্মকার ও সনাতন কর্মকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশকরে স্বর্গীয়া মুকুল রানীর আত্মার শান্ত কামনা করেন।
হুইল চেয়ার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, অভিভাক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে মিস্টি বিতরন করেন সঞ্জয় কর্মকার। হুইল চেয়ার ও মিস্টি বিতরণে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা খুশী হয়।








