পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মর্দনা গ্রামের ব্রিজসংলগ্ন একটি ভবনের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে বেড়াতেন। তাঁর পায়ে পচনজনিত রোগ দেখা দেওয়ায় কয়েক দিন আগে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর থেকে তিনি মর্দনা ব্রিজসংলগ্ন একটি পাকা ভবনের নিচে অবস্থান করছিলেন। স্থানীয় লোকজন তাঁর পায়ের রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। শনিবার রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। তবে শনিবার সকালে স্থানীয় এক ব্যক্তি সেখানে গিয়ে তাঁর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দশমিনা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠায়।
দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশার জানান, ওই নারীকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত। কয়েক দিন আগে তাঁর পায়ে পচন দেখা দিলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে বিষয়টি জানান। এরপর তিনি ওই নারীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কয়েকজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে তাঁরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা বলেন। শনিবার তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠায়। ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় দাফনের জন্য মরদেহটি পটুয়াখালী মফিদুল আঞ্জুমান সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত শেষে দাফনের জন্য মরদেহটি পটুয়াখালী মফিদুল আঞ্জুমান সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।









