পটুয়াখালীর দুমকিতে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মো. খলিল জোমাদ্দারকে (৫৬) মারধর করে ২১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তালতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী খলিল জোমাদ্দার চরবয়ড়া গ্রামের কঞ্চন জোমাদ্দারের ছেলে।
খলিল জোমাদ্দার অভিযোগ করেন, শুক্রবার তালতলী বাজারে গেলে ছাত্রদলের ইমরান, রাকিব হাওলাদার ওরফে কসাই রাকিবসহ সাত-আটজন অতর্কিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর দুই পকেটে থাকা ২১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এলাকায় মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাঁরা চোরাই গরু জবাই করে বিক্রি করেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
খলিল জোমাদ্দার বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আমার মতো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হামলার শিকার হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
তিনি জানান, ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় দুমকি থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাঁকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
এদিকে অভিযুক্ত রাকিব হাওলাদার মুঠোফোনে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমরা ড্রেজারের পাইপলাইন টানছিলাম। এ সময় খলিল জোমাদ্দার বাধা দেন। এ কারণে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। মারধর কিংবা টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









