পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়কালীন অভিযান পরিচালনা করে ১১ জেলেকে আটক করা হয়েছে।
শনি ও রবিবার সকাল সন্ধ্যা উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ, থানা পুলিশ ও মৎস্য দপ্তর পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটককৃতরা হলেন দশমিনা উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো: সাগর রাঢ়ী(২০), মো: ইমরান গাজী(১৯), মো: সোহাগ হোসেন মিয়া(১৯) এবং মো: জহির মির(১৯)। বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া গ্রামের জাফর গাজী (৩৫), মানিক(১৮)। চরবোরহান ইউনিয়নের কাওসার(১৩),সাগর গাজী(১৪),মিলন সরদার(৪০),ফিরোজ খান(২৫) ও ইমামা মোর্শোদ(১৪)। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ঢনঢনিয়া গ্রামের মো: সাগর রাঢ়ী(২০), মো: ইমরান গাজী(১৯), মো: সোহাগ হোসেন মিয়া(১৯) এবং মো: জহির মির(১৯), চরবোরহান ইউনিয়নের মিলন সরদার(৪০),ফিরোজ খান(২৫) এবং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া গ্রামের জাফর গাজী (৩৫), মানিক(১৮) এদের দুই জনের বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত মামলা দেওয়া হয়।
জানা যায়, নিষেধাজ্ঞার সময়কালীন তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধ মা ইলিশ নিধনের সময় উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ, থানা-পুলিশ ও মংস্য দপ্তর অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভাবে মা ইলিশ নিধনের সময় শনিবার ৪ জন ( মো: সাগর রাজী(২০), মো: ইমরান গাজী(১৯) , মো: সোহাগ হোসেন মিয়া(১৯) এবং মো: জহির মির(১৯)) আটক করে ৭০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। পরে এদের নির্বাহী আদলতে হাজির করা হলে প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। জব্দকৃত জাল হাজির হাট এলাকায় পুরিয়ে ধ্বংস করা হয় এবং রবিবার সকাল-সন্ধ্যা অভিযান পরিচালনা কের ৭ জনকে আটক করে করা হয় এদেও মধ্যে জাফর গাজী (৩৫), মানিক (১৮)। চরবোরহান ইউনিয়নের কাওসার(১৩),সাগর গাজী(১৪),মিলন সরদার(৪০),ফিরোজ খান(২৫) ও ইমাম মোর্শেদ(১৪) । ২লাখ ২০হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং তিনটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। জাফর গাজী (৩৫), মানিক(১৮) দুই জনের বিরুদ্ধে নৌপুলিশ নিয়মিত মামলা করেন। মিলন সরদার(৪০),ফিরোজ খান(২৫) কে নির্বাহী আদালতে হাজির কার হলে প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। কাওসার(১৩), সাগর গাজী(১৪) ও ইমাম মোর্শেদ(১৪) তিন জনকে বয়স বিবেচনায় মুচলেকা দিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়। জব্দকৃত জাল তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট এালাকায় পুরিয়ে ধ্বংস করা হয়। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে জিম্মায় রাখা হয়।
নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফেরদাউস ও উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম ইসলাম জানান, নিষেধাজ্ঞা সময়কালীন শনিবার তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান পরিচালনাকরে অবৈধ ভাবে মাছ স্বীকারের সময় ১১ জেলেকে আট করা হয় এবং ২লাখ ২০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাাল ও তিনটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। আটক জেলেদের উপজেলা নির্বাহী আদালতে হাজির করা হলে ৬ জনকে ১মাসের কারাদন্ড, ২ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও ৩ জনকে বয়স বিবেচনায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। জাল পুরিয়ে ধ্বংস করা হয় আর ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জিম্মান রাখা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, নিষেধাজ্ঞা সময়কালীন তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান পরিচালনা করে চরাজন এবং রবিবার সাত জনকে জেলেকে আটক করা হয়। আটককৃতদেও মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালের মাধ্যমে ৬ জনকে ১ মাসের করাদন্ড, ২জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও ৩ জনকে বয়স বিবেচনায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।









