পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বাজেমহল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয় বিবাহিত ও অবিবাহিতদের অংশগ্রহণে এক প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ আগস্ট ২০২৬) আয়োজিত এ খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার চর্চা বৃদ্ধি, যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে এ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। মাঠে বিবাহিত ও অবিবাহিত দলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় স্থানীয় ক্রীড়ামোদী জনসাধারণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন।
ফুটবল টুর্নামেন্টের আহ্বায়ক ছিলেন মো. মোশারফ হোসেন ঝন্টু। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা উদ্বোধন করেন কেশবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি, মমিনপুর রজ্জবিয়া দাখিল মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক এবং বিএনপি থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী শরীফ মো. মনিরুল ইসলাম; কেশবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপি থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. রুহুল আমিন মাস্টার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত কেশবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার গুরুত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।
খেলাটি পরিচালনায় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন বাজেমহল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. ফিরোজ আলম। সহকারী আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. জামাল হোসেন সিকদার ও মো. ফিরোজ আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. মনিরুজ্জামান স্বপন মুন্সী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এ ধরনের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট গ্রামবাংলার ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাণবন্ত করার পাশাপাশি তরুণদের মাঠমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন হলে যুবসমাজের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়বে।
বাজেমহল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত এ ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আয়োজকদের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা আশা প্রকাশ করেন।








