গলাচিপার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বুড়াগৌড়ঙ্গ নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের হামলায় এক পুলিশ সদস্য ও স্পিডবোটের চালক আহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য মো. জসিম ও স্পিডবোট চালক মো. শাহজালালকে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ আহমেদ। গলাচিপা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপার পানপট্টি লঞ্চঘাট থেকে আগুনমুখা, তেতুলিয়া ও বুড়া গৌড়ঙ্গ নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকারের খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল থেকে ট্রলার ও স্পিডবোট নিয়ে অভিযান শুরু হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে রতনতী তালতলী এলাকার পর বুড়াগৌড়ঙ্গ নদীতে দুটি জাল দেখতে পেয়ে অভিযানে থাকা লোকজন নদী থেকে একটি ট্রলারে ও অপরটি স্পিডবোটে টেনে তুলছিল। এসময় দক্ষিণ দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রলার হঠাৎ এসেই স্পিডবোটের ড্রাইভারকে বৈঠা দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা চালায়। এসময় পাশে থাকা পুলিশ সদস্য জসিম বৈঠা খালি হাতে ধরার চেষ্টা করলে দুজনেই মারাত্মক আহত হয়। এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, বুড়াগৌড়াঙ্গ নদীতে একটি ট্রালারে ১০ থেকে ১২জন জেলে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকার করছিল। তারা নদীতে জাল ফেলে কোথাও লুকিয়ে ছিল। জালগুলো উদ্ধারের সময় হঠাৎ করে দ্রুতগামী একটি ট্রলার উল্টা দিক থেকে এসে কোন কিছু বুঝার আগেই হামলা চালায়। সন্ধ্যা হওয়ায় আমরা কাওকে চিনতে পারিনি। এসময় একজন পুলিশ সদস্য ও স্পিডবোট ড্রাইভার মারাত্মক আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে।








