পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে চলতি আমন মৌসুমে ধানক্ষেতে পোকার আক্রমণ ঠেকাতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন কৃষকেরা। ধানক্ষেতে প্রজাপতিজাতীয় পোকার আক্রমণ দেখা দেওয়ার আশঙ্কায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে তাঁরা কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। অবিরাম বর্ষণ ও বন্যার পর কৃষকদের রোপণ করা আমন ধানখেতে পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। মাঠপর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তদারকির পাশাপাশি কৃষকেরাও নিজ উদ্যোগে ফসল রক্ষায় নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কৃষকেরা জানান, চলতি বছর অবিরাম বর্ষণ ও বন্যার পর আমন ধানের ব্রি-৮৪ ও ব্রি-৫২ জাতের খেতে প্রজাপতিজাতীয় পোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। উপজেলার বেতাগী সানকিপুর, বহরমপুর, দশমিনা ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ধানখেতে এ ধরনের পোকার আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকেরা সাধারণ ওষুধের পাশাপাশি ভিরটাকো ও কারাতে নামের কীটনাশক ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে জানতে কৃষকেরা উপজেলা কৃষি অফিসে গেলে তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে আমন ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশায় আগাম বালাইনাশক প্রয়োগ করছেন কৃষকেরা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় প্রায় ১৯ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ জানান, আমন ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তদারকি করছেন। তিনি আরও জানান, এ বছর প্রতিকূল আবহাওয়া থাকলেও ধানখেতে পোকার আক্রমণ দেখা দেবে না বলে তাঁরা আশা করছেন।








