পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সাঁকোটির ওপর দিয়ে তিন গ্রামের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সাঁকোটি চলাচলের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতু না থাকায় বাধ্য হয়েই স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ বৃদ্ধ ও শিশুরা এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত বছর আগে যাতায়াতের সুবিধার্থে স্থানীয় বাসিন্দারা খালের ওপর বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এটি ধীরে ধীরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় পথচারীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। তিনটি গ্রামের শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এই বাঁশের সাঁকো। সংস্কারের অভাবে সাঁকোটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
খাল পারাপারের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মরণফাঁদের ঝুঁকি জেনেও গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সাঁকোটি ভেঙে পড়লে যাতায়াতের জন্য নৌকা চালু করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। এ ছাড়া জরুরি রোগীদের বহন করাও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সাঁকো দিয়ে হেঁটে পারাপার হওয়াও এখন বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। যেকোনো মুহূর্তে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা সাঁকোটির ওপর কাঠের তক্তা বিছিয়ে কোনোরকমে যাতায়াতের ব্যবস্থা সচল রেখেছেন। তাই জনদুর্ভোগ লাঘব ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।







