‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার’ প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী শহরের ঝাউতলা এলাকায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি। সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন।
কর্মসূচিতে জেলার আট উপজেলা—পটুয়াখালী সদর, বাউফল, গলাচিপা, কলাপাড়া, দশমিনা, দুমকি, মির্জাগঞ্জ ও রাঙ্গাবালী—থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অংশ নেন। সদর উপজেলা শ্রমিক দল ও জেলা মহিলা দলের নেতৃত্বেও পৃথক মিছিল বের করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা মোস্তাক আহমেদ পিনু, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটনসহ স্থানীয় নেতারা।
এ সময় শহীদ হৃদয় তরুয়া চত্বরে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা মোস্তাক আহমেদ পিনু। সেখানে তিনি ‘আওয়ামী লীগকে প্রতিহত’ করার শপথ নেওয়ার কথা জানান।
বক্তারা বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর অতীতে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় বিচার দাবি করেন তারা।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও বিভিন্ন স্থানে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য নেতাদের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান-মেম্বার হিসেবে দেখতে চান তারা। একই সঙ্গে পটুয়াখালীতে মাদকের কোনো স্থান হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে বিএনপির নেতা-কর্মীরা নিজেদের উদ্যোগে কর্মসূচির স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন।









