পটুয়াখালী ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজের ২০২৫ সালের শিক্ষার্থীদের থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
বুধবার শেষ বিকেলে স্থানীয় ব্যায়ামাগার মাঠে ২০২৫ সালের শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল গেমস-৩, গেমস-৪, প্র্যাকটিস টিচিং, জিমন্যাস্টিক, মার্চপাস্ট ও কান্ট্রি গেমস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পটুয়াখালী ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজের ২০২৫ সালের ৫৯ জন শিক্ষার্থী থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের গেমস-৩ ও গেমস-৪ পরীক্ষা নেন বরিশাল সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের প্রভাষক সত্যজিৎ রায়। আর প্র্যাকটিস টিচিং, জিমন্যাস্টিক, মার্চপাস্ট ও কান্ট্রি গেমস পরীক্ষা নেন হাজীগঞ্জ আইডিয়াল কলেজ অব এডুকেশন, চাঁদপুরের প্রভাষক মো. বেলায়েত হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মো. শাহআলম, খণ্ডকালীন প্রভাষক সাইদুর রহমান সাঈদ, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ইতেজা হাসান মনির প্রমুখ।
শিক্ষার্থীরা বলেন, দেখতে দেখতে বিপিএড-২০২৫-এর ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ হয়েছে। মনে হচ্ছে, এই তো সেদিন নতুন নতুন মুখ নিয়ে একসঙ্গে পথচলা শুরু করেছিলাম। অথচ সময়ের স্রোতে সেই সুন্দর দিনগুলো আজ স্মৃতি হয়ে গেল। ক্লাসরুমের আনন্দ-দুষ্টুমি, হাসি-ঠাট্টা, ক্লাস শেষে আড্ডা, চায়ের কাপে গল্প, ফুচকা খাওয়া, ছোট ছোট অভিমান আর আবার সবাই মিলে হাসিতে ফিরে আসা—সবকিছুই ভীষণ মনে পড়বে।
এই পথচলায় আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যারদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। তাঁদের স্নেহ, শাসন, পরামর্শ, শিক্ষা ও সহযোগিতা আমাদের এই পথচলাকে সহজ ও সুন্দর করেছে। স্যারদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা শুধু পরীক্ষার খাতায় নয়, আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনেও পথ দেখাবে। স্যারদের প্রতি আমাদের এই কৃতজ্ঞতা আজীবন থাকবে।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, হয়তো আগামী দিনে সবাই নিজ নিজ কর্মজীবনে ব্যস্ত হয়ে দূরে সরে যাব। প্রতিদিন দেখা হবে না, একসঙ্গে আড্ডাও হবে না। কিন্তু এই মানুষগুলো আর এই মুহূর্তগুলো মনের পাতায় আজীবন থেকে যাবে। ক্লাস শেষ, পরীক্ষা শেষ, কিন্তু স্মৃতির শেষ নেই। বিপিএড-২০২৫ আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকুক আজীবন। বিদায় নয়, আবারও দেখা হবে কোনো এক পরিচিত আড্ডায়।









