পটুয়াখালী পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজাহার আলী হাওলাদারের (৭৬) বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ তাঁর পরিবারের চারজনকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় চারজনকে চিহ্নিত করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজাহার আলী হাওলাদার। মামলার নম্বর-৪৯, তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একই এলাকার মো. কামাল গাজী, ফারুক গাজী, মো. শামীম ও লিটনসহ একদল লোক রামদা, লোহার রড, বাংলা দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজাহার আলী হাওলাদারের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ সময় বাধা দিলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী হাওলাদার ও তাঁর ছোট ছেলে মো. রাকিবকে মারধর এবং রামদা ও বাংলা দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রাণ রক্ষার্থে বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী ও তাঁর ছোট ছেলে রাকিব ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে হামলাকারীরা জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে তাঁদের আবারও মারধর করেন। এ সময় ঘরে থাকা মুক্তিযোদ্ধার বড় ছেলে আরিফ হোসেন টিটু ও তাঁর স্ত্রী রোমানা আক্তার সুইটিকেও মারধর করে জখম করার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এ সময় হামলাকারীরা মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী পারভীন বেগমের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও হাতে থাকা স্বর্ণের আংটি এবং দুটি দামি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী জানান, রক্তাক্ত জখম তাঁর ছেলে রাকিব হোসেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলাকারীদের ভয়ে তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মারামারির ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।









