পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের গ্রামের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চলতি মৌসুমে আমন ধানের ব্যাপক আবাদ করা হচ্ছে। এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকার কৃষকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। আমন ধানের আবাদে কৃষকদের আগ্রহ দেখে মনে হচ্ছে, এমন পরিশ্রমী কৃষকদের হাত ধরেই গ্রামবাংলার কৃষি এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে কৃষকরা নতুন করে সম্ভাবনা তৈরি করছেন।
চলতি বছর উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হচ্ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে চলতি বছর ব্রি ধান-৯৫ জাতের রোপা আমন ধান চাষ করা হচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের মোসলেমের সঙ্গে কথা হয়। বাপ-দাদার সূত্র ধরেই তিনি একজন পেশাদার কৃষক। চলতি মৌসুমে আমন ধান চাষের জন্য পানির কোনো অভাব নেই। উপজেলায় ব্যাপক বর্ষণ হওয়ায় কৃষিজমি আমন চাষের জন্য উপযোগী হয়ে উঠেছে।
কৃষকরা উপজেলার উত্তর বাঁশবাড়িয়া, মধ্য বাঁশবাড়িয়া, গছানি, ঢনঢনিয়া, চরহোসনাবাদ, নেহালগঞ্জ, আদমপুর, রমজপুর, বগুরা, দশমিনা, গোলখালী, আরজবেগী, বেতাগী-সানকিপুর, জাফ্রাবাদ, মাচুয়াখালী, আলীপুর, যোতা, খলিশাখালী, চাঁদপুরা, রণগোপালদী, আউনিয়াপুর, গুলি, চরঘুনি, চরবেহরান, চরকানজালাল ও চরহাদী গ্রামে এ বছর আমন ধানের ব্যাপক আবাদ করেছেন।
সবচেয়ে বড় ব্লক উত্তর বাঁশবাড়িয়ার সভাপতি নুর জামাল গাজী জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর বেশি জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হচ্ছে। ব্লকের ৫০ কৃষক মিলে প্রায় দেড়শ একর জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন করেছেন। আশানুরূপ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ বলেন, এ বছর ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে উপজেলার কৃষকরা আমন ধানের আবাদ করছেন। আশানুরূপ ফলন পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরও আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।









