দশম জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজকে নতুন করে আরও দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক পৃথক আদেশে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা ও একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে তাকে আদালতে হাজির করে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় আন্দোলনের সময় শিশু নাঈম হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় আ স ম ফিরোজের সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তদন্ত কর্মকর্তার দাবি।
অন্যদিকে একই দিন কুতুবখালী এলাকার একটি ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ দেখার সময় তারেক ও শিহাব নামে দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলাতেও আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।
আদালতে নিজের বক্তব্যে আ স ম ফিরোজ বলেন, তাঁর বয়স ৭৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন এবং অসুস্থ। তিনি নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আটবারের সংসদ সদস্য উল্লেখ করে চিকিৎসার জন্য জামিন দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে একটি হত্যা মামলায় আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় জামিন পেলেও পরবর্তী বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।









