সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরার সময় দুই জেলেকে আটক করলেও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হুমকিতে তাদের মাছসহ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ।
শনিবার দুপুরে মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের গোড়াবড়বড়িয়া এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিষ দিয়ে মাছ আহরণের অভিযোগে প্রায় ২০০ কেজি মাছ ও একটি নৌকাসহ দুই জেলেকে আটক করেন। আটক জেলেরা হলেন সুন্দরবন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মুহিদুল হাওলাদার ও চিলা ইউনিয়নের নাঈম শেখ।
স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুই জেলে জানান, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরেছেন তারা। পরে সুমন নামের এক ব্যক্তির লোকজন এসে হুমকি দিয়ে তাদের মাছসহ ছাড়িয়ে নিয়ে যায় বলে দাবি করেন তারা। তবে অভিযুক্ত শাহরিয়ার সুমন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে সুন্দরবনে মাছ ধরতে পাঠাননি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগের বিষয়টি নজরে আসে বন বিভাগের। এর পরিপ্রেক্ষিতে শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বন বিভাগের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









