বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় গৃহপালিত হাঁস নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেদার মল্লিক (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহত বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর ছেলে কাইয়ুম (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি কচুয়া উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের উত্তর ভাণ্ডারখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বেদার মল্লিক উত্তর ভাণ্ডারখোলা গ্রামের গোলাম হোসেন মল্লিকের ছেলে। রোববার দুপুরে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল মর্গে নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন—নিহতের ভাতিজি ফাতেমা খাতুন, তাঁর দুই ছেলে রমজান ও আব্দুল্লাহ এবং নিহতের ছেলে বউ লামিয়া।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ মামুন জানান, শনিবার দিবাগত গভীর রাতে উত্তর ভাণ্ডারখোলা পাশের বাড়ির এক নারীর গৃহপালিত হাঁস নিয়ে বেদার মল্লিকের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশীদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় প্রতিবেশী রমজান, তাঁর স্ত্রী লামিয়া, ছেলে ও তাঁদের পুত্রবধূ লাঠি ও দরজার ডাসা দিয়ে বেদার মল্লিক, তাঁর স্ত্রী হালিমা, ছেলে কাইয়ুম ও পুত্রবধূ সুমিকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে বেদার মল্লিক ও তাঁর ছেলে কাইয়ুম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেদার মল্লিককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত কাইয়ুম বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের আরও দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ওসি আব্দুল্লাহ মামুন জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে রমজান, তাঁর স্ত্রী লামিয়া ও মা ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









