বুধবার ০১ জুলাই পটুয়াখালী শহরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত কাইয়ুম গাজীর খালা জেসমিন বেগম। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে জেসমিন বেগম দাবি করেন, গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টার দিকে জমি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে স্থানীয় নুর হোসেন, নুপুর, রাব্বিসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে কাইয়ুম গাজীকে হত্যা করে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে সাজাতে ঘরের ভেতরে ঝুলিয়ে রেখে যায়।
তিনি জানান, অভিযুক্তদের সঙ্গে কাইয়ুমের বাবা সুলতান গাজীর দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযুক্তরা পূর্ব থেকেই পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং তার ছেলেদের হত্যা করারও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন পরিবারের সদস্যরা ব্যাংকের কাজে শহরে গেলে কাইয়ুম একাই বাড়িতে ছিল। এ সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করে বলে তাদের দাবি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কাইয়ুম কোরআনের হাফেজ হওয়ায় স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় কাজে অংশ নিত এবং এলাকায় সবার কাছে পরিচিত ও স্নেহভাজন ছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় কাইয়ুমের দুই পা মাটিতে স্পর্শ করা অবস্থায় এবং হাঁটু ভাঁজ করা ছিল। এছাড়া ঘটনাস্থলে এমন কোনো চেয়ার বা টেবিল ছিল না, যার সাহায্যে সে আত্মহত্যা করতে পারত। তাদের দাবি, পরে ঘটনাস্থলের বাইরে থেকে একটি চেয়ার এনে মরদেহের পাশে রেখে ছবি তোলা হয়। এ বিষয়ে তারা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে অভিযোগ করলে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার প্রায় ২০-২৫ দিন পর থানায় মামলা গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ, মাদক মামলায় ফাঁসানো ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।
জেসমিন বেগম বলেন, “আমরা এক হাফেজ সন্তানকে হারিয়েছি। এখন বিচার না পেয়ে বারবার থানায় ঘুরছি। আমাদের শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী সদর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
বুধবার ০১ জুলাই পটুয়াখালী শহরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত কাইয়ুম গাজীর খালা জেসমিন বেগম। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে জেসমিন বেগম দাবি করেন, গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টার দিকে জমি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে স্থানীয় নুর হোসেন, নুপুর, রাব্বিসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে কাইয়ুম গাজীকে হত্যা করে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে সাজাতে ঘরের ভেতরে ঝুলিয়ে রেখে যায়।
তিনি জানান, অভিযুক্তদের সঙ্গে কাইয়ুমের বাবা সুলতান গাজীর দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযুক্তরা পূর্ব থেকেই পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং তার ছেলেদের হত্যা করারও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন পরিবারের সদস্যরা ব্যাংকের কাজে শহরে গেলে কাইয়ুম একাই বাড়িতে ছিল। এ সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করে বলে তাদের দাবি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কাইয়ুম কোরআনের হাফেজ হওয়ায় স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় কাজে অংশ নিত এবং এলাকায় সবার কাছে পরিচিত ও স্নেহভাজন ছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় কাইয়ুমের দুই পা মাটিতে স্পর্শ করা অবস্থায় এবং হাঁটু ভাঁজ করা ছিল। এছাড়া ঘটনাস্থলে এমন কোনো চেয়ার বা টেবিল ছিল না, যার সাহায্যে সে আত্মহত্যা করতে পারত। তাদের দাবি, পরে ঘটনাস্থলের বাইরে থেকে একটি চেয়ার এনে মরদেহের পাশে রেখে ছবি তোলা হয়। এ বিষয়ে তারা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে অভিযোগ করলে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার প্রায় ২০-২৫ দিন পর থানায় মামলা গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ, মাদক মামলায় ফাঁসানো ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।
জেসমিন বেগম বলেন, “আমরা এক হাফেজ সন্তানকে হারিয়েছি। এখন বিচার না পেয়ে বারবার থানায় ঘুরছি। আমাদের শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী সদর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
বুধবার ০১ জুলাই পটুয়াখালী শহরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত কাইয়ুম গাজীর খালা জেসমিন বেগম। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে জেসমিন বেগম দাবি করেন, গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টার দিকে জমি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে স্থানীয় নুর হোসেন, নুপুর, রাব্বিসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে কাইয়ুম গাজীকে হত্যা করে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে সাজাতে ঘরের ভেতরে ঝুলিয়ে রেখে যায়।
তিনি জানান, অভিযুক্তদের সঙ্গে কাইয়ুমের বাবা সুলতান গাজীর দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযুক্তরা পূর্ব থেকেই পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং তার ছেলেদের হত্যা করারও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন পরিবারের সদস্যরা ব্যাংকের কাজে শহরে গেলে কাইয়ুম একাই বাড়িতে ছিল। এ সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করে বলে তাদের দাবি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কাইয়ুম কোরআনের হাফেজ হওয়ায় স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় কাজে অংশ নিত এবং এলাকায় সবার কাছে পরিচিত ও স্নেহভাজন ছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় কাইয়ুমের দুই পা মাটিতে স্পর্শ করা অবস্থায় এবং হাঁটু ভাঁজ করা ছিল। এছাড়া ঘটনাস্থলে এমন কোনো চেয়ার বা টেবিল ছিল না, যার সাহায্যে সে আত্মহত্যা করতে পারত। তাদের দাবি, পরে ঘটনাস্থলের বাইরে থেকে একটি চেয়ার এনে মরদেহের পাশে রেখে ছবি তোলা হয়। এ বিষয়ে তারা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে অভিযোগ করলে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার প্রায় ২০-২৫ দিন পর থানায় মামলা গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ, মাদক মামলায় ফাঁসানো ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।
জেসমিন বেগম বলেন, “আমরা এক হাফেজ সন্তানকে হারিয়েছি। এখন বিচার না পেয়ে বারবার থানায় ঘুরছি। আমাদের শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী সদর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
বুধবার ০১ জুলাই পটুয়াখালী শহরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত কাইয়ুম গাজীর খালা জেসমিন বেগম। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে জেসমিন বেগম দাবি করেন, গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টার দিকে জমি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে স্থানীয় নুর হোসেন, নুপুর, রাব্বিসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে কাইয়ুম গাজীকে হত্যা করে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে সাজাতে ঘরের ভেতরে ঝুলিয়ে রেখে যায়।
তিনি জানান, অভিযুক্তদের সঙ্গে কাইয়ুমের বাবা সুলতান গাজীর দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযুক্তরা পূর্ব থেকেই পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং তার ছেলেদের হত্যা করারও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন পরিবারের সদস্যরা ব্যাংকের কাজে শহরে গেলে কাইয়ুম একাই বাড়িতে ছিল। এ সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করে বলে তাদের দাবি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কাইয়ুম কোরআনের হাফেজ হওয়ায় স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় কাজে অংশ নিত এবং এলাকায় সবার কাছে পরিচিত ও স্নেহভাজন ছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় কাইয়ুমের দুই পা মাটিতে স্পর্শ করা অবস্থায় এবং হাঁটু ভাঁজ করা ছিল। এছাড়া ঘটনাস্থলে এমন কোনো চেয়ার বা টেবিল ছিল না, যার সাহায্যে সে আত্মহত্যা করতে পারত। তাদের দাবি, পরে ঘটনাস্থলের বাইরে থেকে একটি চেয়ার এনে মরদেহের পাশে রেখে ছবি তোলা হয়। এ বিষয়ে তারা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে অভিযোগ করলে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার প্রায় ২০-২৫ দিন পর থানায় মামলা গ্রহণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ, মাদক মামলায় ফাঁসানো ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।
জেসমিন বেগম বলেন, “আমরা এক হাফেজ সন্তানকে হারিয়েছি। এখন বিচার না পেয়ে বারবার থানায় ঘুরছি। আমাদের শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী সদর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।








