দশমিনা প্রতিনিধি: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের স্থায়ী কার্যালয়ে ৭৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মী ও সমর্থক শূন্য ও গেটে তালা দেখা যায় পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার। আজ মঙ্গলবার সরজমিনে এমন বস্তব চিত্র পরিলক্ষিত হয়।
জানা যায়, দীর্ঘ ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল ১৬ বছর আ’লীগ ক্ষমতায় থাকায় দুরশাসন ও নিপীড়নের শাসন আমলের পত হয় ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থনের মধ্যদিয়ে ৫ আগষ্ট-২০২৪ সালে আ’লীগ তথা শেখ হাসিনা সরকারের। এর পরে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রায় দেড় বছর ক্ষমতায় থেকে রাস্ট্র পরিচালনা করে। ওই সময় আ’লীগের সকল কর্যক্রম নিষিদ্ধ করে। অন্তবর্তীকালীন সময় গনতান্ত্রি ভাবে আ’লীগ সংগঠন ছাড়াই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ওই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সংখ্যাগরিস্টতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পর শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, এমপি, আ’লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী কেহ দেশ ত্যাগ করে পালিয়ে যায় অনেকে কারাবন্দি হয়।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উপজেলা আ’লীগের স্থায়ী কার্যালয় ছাত্র-জনতা ভাংচুর করে তালা বদ্ধ করে রাখে। বিএনপি সরকার গঠনের পর দুইবার আ’লীগ কার্যালয় খুললেও পরে ছাত্র-জনতা পূনরায় তালা বদ্ধ করে রাখে।
আজ মঙ্গলবার আ’লীগের ৭৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ’লীগের স্থায়ী কার্যালয়ে নেই নেতাকর্মী তথা সমর্থকদের উপস্থিতি জনশুন্য তালা বদ্ধ আ’লীগের স্থায়ী কার্যালয়।
জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ জিহাদের পিতা নুরুল আমিন মোল্লা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে জানান, আ’লীগের শাসন আমল ছিলো নির্যাত আর নিপীড়ন। যেদলই জনতার উপর নির্যাতন চালায় তাদের পতন হবেই। শেখ হাসিনা সরকার টেকানোর জন্য ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের দিয়ে ঢাকার রাজপথ রক্তেরঞ্জিত করেছে ছাত্র-জনতাকে।
শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে বেঁচে গেছে। আমার ছেলেকে হারিয়েছি এরকম শত শত মা-বাবার কোল খালি হয়েছে, স্ত্রী হারিয়েছে স্বামীকে। অনেকে পঙ্গুহয়ে দিন যাপন করছে। কি করে এই দেশে আ’লীগ আবার আসবে। এটা নিয়ে স্বাপ্ন দেখা যায় বাস্তবতার কোন মিল নাই। জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি বাংলাদেশে যত দিন আছে ততদিন আ’লীগের এই বাংলাদেশে জায়গা হবেনা।









