• আমাদের সম্পর্কে
  • প্রাইভেসি
  • যোগাযোগ
Monday, June 8, 2026
Daily Gano Dabi
No Result
View All Result
  • Login
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • পটুয়াখালী
    • পটুয়াখালী সদর
    • দুমকি
    • মির্জাগঞ্জ
    • বাউফল
    • গলাচিপা
    • দশমিনা
    • কলাপাড়া
    • রাঙ্গাবালী
  • সম্পাদকীয়
  • বিনোদন
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • খেলাধুলা
  • ধর্ম
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও গ্যালারি
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • পটুয়াখালী
    • পটুয়াখালী সদর
    • দুমকি
    • মির্জাগঞ্জ
    • বাউফল
    • গলাচিপা
    • দশমিনা
    • কলাপাড়া
    • রাঙ্গাবালী
  • সম্পাদকীয়
  • বিনোদন
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • খেলাধুলা
  • ধর্ম
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও গ্যালারি
No Result
View All Result
Daily Gano Dabi
No Result
View All Result
Ecom Digital Technology Ecom Digital Technology Ecom Digital Technology
Home পটুয়াখালী কলাপাড়া

কলাপাড়য় আবাসন আগ্রাসনে প্লাবনভূমি বনভূমি দখলসহ বহুবিধ সংকটে সাগরপারের সংরক্ষিত বনাঞ্চল

গণদাবী রিপোর্ট by গণদাবী রিপোর্ট
June 8, 2026
in কলাপাড়া, পটুয়াখালী
0
কলাপাড়য় আবাসন আগ্রাসনে প্লাবনভূমি বনভূমি দখলসহ বহুবিধ সংকটে সাগরপারের সংরক্ষিত বনাঞ্চল
0
SHARES
3
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter
ECom Digital Technology ECom Digital Technology ECom Digital Technology

মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া: আবাসন কোম্পানির বাণিজ্যিক আগ্রাসনের থাবায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গঙ্গামতিসহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল বহুমুখী সংকটে পতিত হয়েছে। এসব বনাঞ্চল এখন বিলীন হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।

একেতো সাগরের অব্যাহত ভাঙ্গনে কুয়াকাটার লেম্বুরচর থেকে পর্যটনপল্লী গঙ্গামতি লেকপাড় পর্যন্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অর্ধেকটা বিলীন হয়ে গেছে। তার উপরে বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির দখলে চলে গেছে বেড়িবাঁধের বাইরের ম্যানগ্রোভ প্রজাতির বনাঞ্চলসহ খালবিল প্লাবন ভূমি।

আরো পড়ুন

যুবদলের নব গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুমকিতে আনন্দ মিছিল

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম: গলাচিপা ইউএনও ইজাজুল হক

প্রভাবশালী মহল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল থাকা এই প্লাবনভূমি খাল, সরকারি খাসজমি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আশপাশের এরিয়া আবাসন কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করায় এমন সংকট তৈরি হয়েছে। এরা প্রথমে বেড়িবাঁধের বাইরের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল কেটে বিরাণভূমি করেছে। তারপরে পানিরপ্রবাহ বহমান খাল বন্ধ করে বাউন্ডারি রিংবেড়িবাঁধ দিয়ে আটকে দিয়েছে।

এসব প্লাবনভূমিতে এখন আবাসন কোম্পানির শত শত সাইনবোর্ড শোভা পাচ্ছে। তাঁদের অস্থায়ী অফিসঘর তোলা হয়েছে। ফলে সাগরপারের সবুজ দেয়ালখ্যাত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে ঘেরা সংরক্ষিত বনাঞ্চল হুমকির মুখে পতিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ধরনের অনুমতি ছাড়াই পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকার এসব জমি হস্তান্তরে গোটা উপকূলের পরিবেশগত হুমকি ক্রমশ বাড়ছে। ফলে প্রবল ঘুর্ণিঝড়সহ প্রাণঘাতি দূর্যোগে জলোচ্ছ্বাসের প্রাথমিক ঝাপটা থেকে রক্ষাকবচ সবুজ দেয়ালখ্যাত বনাঞ্চল নিশ্চিহ্নের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সবচেয়ে ক্ষতিকর পেরেক মেরেছে জরীপ অধিদপ্তর। সর্বশেষ বিএস জরিপে গঙ্গামতির বিশালকায় দেড় হাজার একরের গেজেটভুক্ত বনাঞ্চলকে সরকারি খাস খতিয়ানে অন্তভুর্ক্ত করা হয়েছে। এখন একশ্রেণির ভূমিদস্যু আবাসন কোম্পানিসহ বিভিন্ন ভূমিখেকোদের হায়ার করে ওই বনাঞ্চলসহ জমিজমার মালিকানার কাগজপত্র তৈরি করার কাজে নেমেছে। এরা সবসময় মহিপুর ভূমি অফিসে ঘুরঘুর করছে বলে এন্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, ২০০১ সালেও কুয়াকাটা সৈকতের দুইদিকে ধুলাসার, গঙ্গামতি, কাউয়ারচর এবং পশ্চিমদিকে খাজুরা ও লেম্বুরচর বনাঞ্চলে ছিল সবুজের আস্তরণ। পরিপূর্ণ ছিল ম্যানগ্রোভ-ননম্যানগ্রোভ প্রজাতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল। অন্তত পাঁচ হাজার একর জুড়ে এই সংরক্ষিত বনাঞ্চল ছিল। বনবিভাগ মহিপুর রেঞ্জের ২০১০ সালের তথ্যানুসারে বনবিভাগ মহিপুর রেঞ্জের অধীন সংরক্ষিত কুয়াকাটা বিট, কুয়াকাটা ক্যাম্প, গঙ্গামতি, খাজুরা ও ধুলাস্বার ক্যাম্পের অধীনে বনভূমির পরিমান ছিল তিন হাজার ৯৭৮ দশমিক ৩৩ একর।

এর মধ্যে কুয়াকাটা সৈকতের কুয়াকাটা বিটের ১৯৩ একর এবং কুয়াকাটা ক্যাম্পের অধীন বনভূমির পরিমান ছিল এক হাজার ৮১৮ দশমিক ৯৩ একর। গঙ্গামতি ক্যাম্পের আয়তন কাগজে-কলমে ১১২৮ একর। কিন্তু বাস্তবে এখন এসব সংরক্ষিত বনের এক তৃতীয়াংশ নেই। ধুলাসার ক্যাম্পের ৪৬১ একরের নেই ৫০ একরও। সব নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। সংরক্ষিত বিশাল এই বনাঞ্চলগুলোর অর্ধেকের বেশি ঘুর্ণিঝড় সিডর, আইলা থেকে শুরু হয়ে সাগরের অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। অপরদিকে মানুষের দখল-দূষণেও মারা পড়ছে হাজার হাজার গাছ। গত ১০ বছর ধরে আশপাশের বনের জমিসহ প্লাবনভূমি দখল করে নেয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

কৃষক ও জেলে দুটো পেশায় জড়িত আলম প্যাদা, গঙ্গামিত বনের পাশে গরুকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন। এ মানুষটি জানালেন, সিডরের পরেও বেড়িবাঁধের স্লোপ থেকে বাইরে সাগরের তীর পর্যন্ত গভীর বনাঞ্চল ছিল। বনের মধ্যে চলাচলে ভয় লাগত। বন্যপশু বাস করত। এখন উজাড় হয়ে গেছে। এভাবে চললে কয়েক বছরে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিলীনের শঙ্কা রয়েছে।

আর বন থাকবেই না বলে শঙ্কা প্রকাশ করলেন আলম প্যাদা। জানালেন, গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনসহ বেড়িবাঁধের বাইরের এরিয়া সব বনাঞ্চলে ঘেরা ছিল। এখন নাই। শুধু জেলেরা এর ভিতরের খাল দিয়ে সাগরে যাওয়া আসা করত। এখন ওই খালসহ জোয়ারের পানিতে ডুবে থাকা সব জমি হিসেবে কোম্পানির (আবাসন) কাছে বিক্রি করা হয়েছে। আছে শুধু তাঁদের সাইনবোর্ড। কুয়াকাটা ও তৎসংলগ্ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত বনাঞ্চল হচ্ছে গঙ্গামতি। কিন্তু এটির এখন প্রধান সমস্যা সাগরে বিলীন হওয়ার পাশাপাশি গাছ কাটা, মাটি কাটা, দখল, অবৈধ নির্মাণ প্রক্রিয়া ও প্লাবনভূমি এবং বনভূমি রূপান্তরের অভিযোগ রয়েছে।

একই দৃশ্য খাজুরা ও লেম্বুরচর বনাঞ্চলের। কাগজে-কলমে এ বনভূমির আয়তন ছিল ৩৪৬ দশমিক ৮৭ একর। এখন নেই বাস্তবে অর্ধেকটা। এখন সাগর পারে চলছে ঢেউয়ের আগ্রাসন। এর সঙ্গে চলছে প্রত্যেকটি বনের গাছপালা নিধনের তান্ডব চলছে। যে যেভাবে পারছে বন নিধন চালাচ্ছে।

বাংলাদেশের আইনে সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, খাল-নদীর প্রবাহমান এলাকা, প্লাবনভূমি ও খাস জমি-এসব জায়গা সাধারণভাবে বেসরকারি হাউজিং কোম্পানির কাছে হস্তান্তরের জন্য উন্মুক্ত নয়। বরং এসব এলাকার ওপর বিশেষ সুরক্ষা ও ব্যবহার-নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

নিয়ম রয়েছে, বনভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে সরকারি পর্যায়ের অনুমতি নিতে হয়। পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া কোন আবাসন প্রকল্প অনুমোদনযোগ্য নয়। খাল ভরাট, জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা বা বন উজাড় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রাকৃতিক পানির প্রবাহ বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণ বেআইনি।

ফরেস্ট আ্যাক্ট ১৯২৭ মূলত সংরক্ষিত বন ও বনজ সম্পদ রক্ষার মূল আইন। সংরক্ষিত বনভূমিতে সরকারের অনুমতি ছাড়া দখল, পরিবর্তন বা বাণিজ্যিক ব্যবহার সীমাবদ্ধ। ন্যাশনাল ল্যান্ড ইউস পলিসি, ২০০১ মূলত জলাভূমি বনভূমি, কৃষিজমি ও প্লাবনভূমি রক্ষার নীতি নির্ধারণ করে। এতে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে ভূমি ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। স্টেট একুইজিসন এন্ড টেনেন্সী আ্যাক্ট, ১৯৫০ এবং অন্যান্য ভূমি আইন মূলত খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও রাষ্ট্রীয় মালিকানা সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে। কিন্তু এসব আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ যেমন স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বনবিভাগ কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তর নির্বিকার।

এসব প্রতিপালনে সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চল, খালবিল জলাশয়, প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষায় বাংলাদেশ বনবিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, ভূমি মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সবসময় চরম উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে আসছে। এসব বিভাগের রয়েছে চরম সমন্বয়হীনতা। সব বিভাগের সমন্বয়ে পরিবেশ প্রতিবেশ জীববৈচিত্র, বনাঞ্চল, প্লাবনভূমি রক্ষায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বন উজাড় বন্ধ, প্লাবনভূমি সংরক্ষণ, জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার, পূন:বনায়ন কার্যক্রম ও উপকূলীয় জীববৈচিত্র সংরক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সবাই ব্যস্ত শুধু চাকরি নামের সময় অতিক্রান্ত করতে। দায়বোধের জায়গা থেকে কেউ আন্তরিক নন-এমন মন্তব্য পরিবেশ সংগঠক কেএম বাচ্চুর।

বনবিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান জানান, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গেজেটভুক্ত এলাকা সর্বশেষ জরিপে গঙ্গামতিকে খাস করা হয়েছে। দাগ খতিয়ান উল্লেখ নেই। শুধু চৌহদ্দি দেয়া হয়েছে। অথচ একই জরিপে ধুলাসার বিটের ৪৯৮ দশমিক ০৬ একর বনবিভাগের নামে রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি মনে করছেন, পরিকল্পিতভাবে গঙ্গামতির দেড় সহস্রাধিক একর জুড়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চল একারণে সংকটে পড়েছে। আর বনাঞ্চলসহ ম্যানগ্রোভ ননম্যানগ্রোভ বন রয়েছে কিংবা আশপাশের প্লাবনভূমি হস্তান্তরে কখনও বনবিভাগের মতামত নেওয়া হয় না। এমনসব বাস্তবমুখি সমস্যা সমাধানে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি প্রয়োজন বলে মনে করছেন এই বনকর্মকর্তা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শাহআলম জানান, বেড়িবাঁধের বাইরের অধিগ্রহণকৃত স্লোপসহ সামনের জায়গাকে বড়পিঠ বলা হয়। এসব জায়গায় একসময় প্রচুর ছইলা-কেওড়া বাগান ছিল। তা উজাড় করা হয়েছে। এখন বাঁধ জলোচ্ছ্বাসে থাকছে ঝুঁকিতে।

বেড়িবাঁধের বাইরে যেন কোন ধরনের স্থাপনা যেন তোলা না হয় এমন পরামর্শ তিনি সীবিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির একটি সভায় বলেছেন। কিন্তু এসব মানা হয় না। ফলে পর্যটন এলাকার সবুজ প্রকৃতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর বাঁধের আশাপাশের জমি হস্তান্তওে তাঁদেও কোন পরামর্শ নেয়া হয় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ECom Digital Technology ECom Digital Technology ECom Digital Technology

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুয়াকাটা সীবিচ ম্যাজেমেন্ট কমিটির সদস্য-সচিব কাউছার হামিদ জানান, সরকারের অনুমোদন বিহীন সংরক্ষিত বনাঞ্চল এরিয়া ও পর্যটন এলাকার কোন জমি আবাসন কোম্পানির কাছে হস্তান্তরের সুযোগ নেই। এব্যাপারে সরকারি নিয়মনীতি অনুসারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বাঁধ দিয়ে উপকূল, উপকূলীয় মানুষের জীবন ও সম্পদ দূর্যোগের কবল থেকে রক্ষা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বেড়িবাঁধের বাইরের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল প্রকৃত ‘প্রথম প্রতিরক্ষা দেয়াল’। এই প্রতিরক্ষা দেয়াল ঢেউয়ের শক্তি কমায়, জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা হ্রাস করে, মাটির ক্ষয় কমায় ও বাঁধের আয়ু বাড়ে। মূলত বন ধ্বংস হলে বাঁধের ওপর চাপ বাড়ে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই সর্বাগ্রে ম্যানগ্রোভ ননম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

আরও পড়ুন

যুবদলের নব গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুমকিতে আনন্দ মিছিল
দুমকি

যুবদলের নব গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুমকিতে আনন্দ মিছিল

June 8, 2026
2
বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম: গলাচিপা ইউএনও ইজাজুল হক
গলাচিপা

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম: গলাচিপা ইউএনও ইজাজুল হক

June 8, 2026
4
মহিপুরে ভার্মিকম্পোস্ট সার বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ী-ডিলারদের নিয়ে কারিতাসের মতবিনিময় সভা
কলাপাড়া

মহিপুরে ভার্মিকম্পোস্ট সার বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ী-ডিলারদের নিয়ে কারিতাসের মতবিনিময় সভা

June 8, 2026
3
একই বছরে দুইবার সেশন ফি বাতিলের দাবিতে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি
পটুয়াখালী

একই বছরে দুইবার সেশন ফি বাতিলের দাবিতে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি

June 8, 2026
6
‎৬ দফা দাবিতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
পটুয়াখালী

‎৬ দফা দাবিতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

June 8, 2026
5
কলাপাড়ায় উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিয়ে
কলাপাড়া

কলাপাড়ায় মাদক পরিবহনের অপরাধে পাঁচ জনের কারাদন্ড

June 8, 2026
7
Next Post
যুবদলের নব গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুমকিতে আনন্দ মিছিল

যুবদলের নব গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দুমকিতে আনন্দ মিছিল

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পাদকীয়

নবনির্বাচিত ছাত্র অধিকার পরিষদের শহীদ জিহাদের কবর জিয়ারত

নবনির্বাচিত ছাত্র অধিকার পরিষদের শহীদ জিহাদের কবর জিয়ারত

September 19, 2025
22
কৃষিগুচ্ছের ফলাফল প্রকাশিত নির্বাচিত ৩৭০১ জন, ওয়েটিং লিস্টে আরও ৭২৬৬ জন

কৃষিগুচ্ছের ফলাফল প্রকাশিত নির্বাচিত ৩৭০১ জন, ওয়েটিং লিস্টে আরও ৭২৬৬ জন

January 7, 2026
10
Ecom Digital Technology Ecom Digital Technology Ecom Digital Technology
Facebook Twitter Youtube LinkedIn
দৈনিক গনদাবী

দৈনিক গণদাবী কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ গোলাম কিবরিয়া

Follow us

প্রধান কার্যালয়
নতুন বাজার, পটুয়াখালী – ৮৬০০।

  •  +880 1712-132087
  •  ganodabinews@gmail.com

স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক গণদাবী | ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Ecom Digital Technology - edt.com.bd.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • পটুয়াখালী
    • পটুয়াখালী সদর
    • মির্জাগঞ্জ
    • দুমকি
    • বাউফল
    • দশমিনা
    • গলাচিপা
    • কলাপাড়া
    • রাঙ্গাবালী
  • সম্পাদকীয়
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • ধর্ম
  • স্বাস্থ্য
  • ভিডিও গ্যালারি

স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক গণদাবী | ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Ecom Digital Technology - edt.com.bd.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In