বাগেরহাট প্রতিনিধি: ২০ লক্ষ মানুষের জন্য ৫০শয্য থেকে উন্নিত জেলা সদর বাগেরহাট এর একমাত্র হাসপাতাল-আজকে ২৫০ শয্যায় দাড়িয়েছে। শয্যার পর শয্যা আর ভবনের পর ভবন বাড়লেও নেই কোন আধুনিক ব্যাবস্থাপনা নেই তেমন জনবল। জন্ম লগ্ন থেকেই চিকিৎসক সংকট, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, দৃর্নীতিতে এই হাসপাতালটি নিজেই চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে। আর এ কারণে জেলা জুড়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা চরম ভাবে ব্যাহত হচ্ছে, ওদিকে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এখনো আইসিইউ ইউনিট চালু হয় নাই।
এসব নানা অনিয়ম ও জন-দুর্ভোগের বিষয়ে বাগেরহাট সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (বিধি-৭১) এর আওতায় মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার শাখাওযাত হোসেন বকুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
অধিবেশনে তিনি বলেন, বাগেরহাট জেলার প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। জেলার অধিকাংশ উপজেলা হাসপাতাল অবকাঠামোগত ভাবে দুর্বল ও চিকিৎসক সংকটে জর্জরিত হওয়ায় সাধারণ মানুষকে জেলা সদর হাসপাতালের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভর করতে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ২০২১ সালে হাসপাতালটি ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও ২৫০হাসপাতালে জন্য প্রয়োজনীয় অধুনিক যস্ত্রপাতি ও জনবল এখনো সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন হয়নি। ২০২২ সালে বিভিন্ন পদ সৃষ্টি হলেও অধিকাংশ পদ-ই এখনো শূন্য অবস্থায় রয়েছে এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কোন মাথা ব্যাথা নাই।
বর্তমানে সিনিয়র কনসালটেন্ট ১০টি পদের মধ্যে ৮টি শূন্য, জুনিয়র কনসালটেন্ট ১৬টি পদের মধ্যে ১১টি শূন্য এবং চিবাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসক সংকট ও অ ব্যবস্থাপনা: সংসদে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ চিকিৎসক পদের ৫৭টির মধ্যে ৪২টি পদ শূন্য রয়েছে।
এছাড়া হাসপাতালটিতে ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট থাকলেও দীর্ঘদিনেও তা চালু করা সম্ভব হয়নি বলে সংসদে উলেখ করা হয়। একইসঙ্গে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারীরা গত এক থেকে দেড় বছর ধরে বেতন না পাওয়ায় মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয়দের মতে, চিকিৎসক সংকট দ্র“ত নিরসন, আইসিইউ ইউনিট চালু এবং হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা উন্নত না করলে জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।








