দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলসহ বিভিন্নস্থানে আগাম তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। আগাম ক্ষেতের তরমুজ বিক্রিতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। ইতোমধ্যে ক্ষেতের তরমুজ পাইকারী ও খুচরা বিক্রি শুরু করেছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা তরমুজ নিতে আসতে শুরু করেছেন এলাকায়।
তবে কৃষকদের দাবি সড়ক সংস্কার কাজ চলমান থাকায় উৎপাদিত তরমুজ উপজেলার বাইরে নিতে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। সে কারনে তরমুজের ভাল দাম নিয়ে হতাশও কৃষকরা।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাটাখালী চর ভুপেন্দ্র এলাকায় তালুকদার বাড়ির ৭৫ একর জমি ১৭ জন চাষি একসোনা ক্রয় করে ড্রাগন তরমুজ চাষ করেছেন। এই বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তরমুজ চাষে চাষিদের প্রতি একরে সার ওষুধে ১০হাজার করে টাকা খরচ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি বছর উপজেলার সাত ইউনিয়নে চরাঞ্চলসহ প্রায় ৫শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫০হেক্টর জমিতে এই রসালো ফলের চাষ করা হয়েছে। ভালো ফলনের আশায় তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছে উপজেলার চাষিরা। ডিসেম্বর থেকেই তরমুজের চাষ শুরু করেন কৃষকেরা। শীত শেষে এই ফসলটি বাজারজাত শুরু হয়ে যায়।
উপজেলার কাটাখালী গ্রামের তরমুজ চাষি মো. কামাল হোসেন জানান, গত বছরে তরমুজে ভালো লাভ হয়েছে তাই এবার দু’জনে মিলে ১শ’ ১৫কড়া জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। ফলের মুখ দেখতে জমি ক্রয় থেকে শুরু করে সার ওষুধে ১লক্ষ ২০হাজার খরচ হয়েছে। ক্ষেতে তরমুজ দেখে মনে ভাল লাগে।
একই গ্রামের তরমুজ চাষি আলাউদ্দিন আকন জানান, আমি ২০কড়া জমিতে তরমুজ চাষ করেছি আর ফলনও ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভালোলাভবান হবো।
কৃষকরা আরও বলেন, আমরা কঠোর পরিশ্রম করার পরে ক্ষেতে বাম্পার ফলন হয়েছে। আর নিয়মিত সার-কিটনাশক প্রয়োগ, নিড়ানী দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করার পাশাপাশি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ জানান, এই বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছি। তরমুজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।









