কুয়াকাটা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী আবদুল হাই শিক্ষা ট্রাস্টের উদ্যোগে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মেধাবী ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে এ বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়।
এ বছর ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মোট ৬০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে পটুয়াখালী সদর থেকে ৯ জন, দুমকি ৫ জন, মির্জাগঞ্জ ৫ জন, দশমিনা ৪ জন, বাউফল ৭ জন, গলাচিপা ৮ জন, কলাপাড়া ১২ জন এবং রাঙ্গাবালী উপজেলার ১০ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির প্রতিনিধিত্ব করেন, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি, কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ.দা.) মো. মনিরুজ্জামান খান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মো. জহিরুল ইসলাম খান, ট্রাস্টের দাতা সদস্য মোঃ শফিকুল আলম, কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সি এম সাইফুর রহমান ইসা, আলিপুর আবু হানিফ খান মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক, মোঃ সাইদুর রহমান সোহেল, উপকূলীয় মানব উন্নয়ন সংস্থা (সিকোডা)’র নির্বাহী পরিচালক ও দৈনিক আজকালের কন্ঠ পত্রিকার উপ-সম্পাদক, মোঃ মিজানুর রহমানসহ ট্রাস্টের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়াশোনার আগ্রহ বৃদ্ধি পায় এবং ভবিষ্যতে তারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়।
উল্লেখ্য, কলাপাড়া উপজেলার তৎকালীন বৃহত্তর লতাচাপলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব আবদুল হাই ১৯৭৮ সালে ৫ লাখ টাকা মূলধন (সেন্ড মানি) দিয়ে পটুয়াখালী জেলার সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আবদুল হাই শিক্ষা ট্রাস্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ট্রাস্টের পরিচালনা পর্ষদে মোট ১৬ জন সদস্য রয়েছেন।
জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী ট্রাস্টের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও জেলার আটটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং দাতা সদস্য হিসেবে ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতার কনিষ্ঠ পুত্র মো. শফিকুল আলম এতে সম্পৃক্ত রয়েছেন।









