পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মৃত দেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
রবিবার বিকেল সোয়া চার ঘটিকার সময় উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের ০১ নম্বর বেতাগী গ্রামের পরিত্যক্ত একটি কচুরির খাল থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার ব্যক্তি হলেন বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রামের মৃত.আবদুল খালেক ফরাজির ছেলে মোঃ নজির ফরাজি।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নজীর ফরাজি মাঝে মধ্যে ঘরে কাউকে কিছু না বলে চলে যায় আবার চলে আসে। গত সোমবার (২৫ মে) সকালে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরিবারের পক্ষথেকে বন্ধ ও আত্নীয়দের কাছে খোঁজ নিয়েও পাওয়া যায়নি। আজ রবিবার বিকেল বেলা বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত কচুরির খালে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এলাকার লোক জন দেখতে পেয়ে এক যুবক ভেসে আছে। পরে দশমিনা থানা পুলিশকে খবরদিলে তারা ঘটনা স্থলে গিয়ে উদ্ধার করলে তার ভাই মোঃ রাসেল বলেন আমার ভাই নজির ফরাজি। দশমিনা থানা পুলিশ নজিরের মদেহ থানায় নিয়ে আসে।
মৃত.নজির ফরাজির ভাই রাসেল জানান, নজির আমার ভাই। গত সোমবার সকালে ঘর থেকে বের হয়। এরকম মাঝে মধ্যে কোথাও না বলে চলে যায় আবার আসে এজন্য আমরা বেশি চিন্তিত ছিলাম না। তারপরও ওর বন্ধু ও কিছু আত্মীয়দের কাছে খোঁজ করি। আজ রবিবার আমাদের বাড়ির কিছুটা দূরে একরি পরিত্যাক্ত কচুরির খালে একটি হাত-পা বাঁধা যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখে এমন খবর পেয়ে আমিও যাই। লোক জন সাহস করে মরদেহের কাছে যয়না। পরে দশমিনা থানা-পুলিশ এসে মরদেহ কচুরির খাল থেকে উদ্ধার করে রাস্তার উপর রাখলে দেখি আমার ভাই নজির ফরাজি। ৭ দিন নিখোঁজ হওয়ার পর আজ ভাইকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃত.পেলাম। কেউ আমার ভাইকে হাত-পা বেঁধে পরিত্যাক্ত খালের পানিতে ফেলে মেরেছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর বিচার চাই।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী খালে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ বাসছে। ঘটনা স্থলে গিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করি। পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হবে। পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।









