আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অনুষ্ঠিতব্য যুব অলিম্পিক গেমসে অংশ নিচ্ছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের উপপরিচালক ও জাতীয় অ্যাথলেটিক্স কোচ মোহাঃ আব্দুল্লাহ-হেল কাফি। আসন্ন এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স দলের কোচ কাম ম্যানেজার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন তিনি। আগামী ৩ নভেম্বর তাঁর সেনেগালের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে।
আগামী ৪ থেকে ১০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অনুষ্ঠিত হবে যুব অলিম্পিক গেমস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন কাফি। তাঁর এই মনোনয়ন যবিপ্রবি পরিবার ও দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যুব অলিম্পিকের মতো আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মোহাঃ আব্দুল্লাহ-হেল কাফি। একই সঙ্গে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা, উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মোহাঃ আব্দুল্লাহ-হেল কাফি বলেন, “যুব অলিম্পিক গেমসের মতো আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিক্স দলকে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের। আমার ওপর এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করায় বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সম্মানিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাঁদের উৎসাহ, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে দেশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ও সুনাম তুলে ধরতে অনুপ্রাণিত করছে।”
উল্লেখ্য, মোহাঃ আব্দুল্লাহ-হেল কাফি দেশের অ্যাথলেটিক্স অঙ্গনে একজন অভিজ্ঞ কোচ হিসেবে পরিচিত। তিনি এর আগে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আসন্ন যুব অলিম্পিকে দেশের তরুণ অ্যাথলেটদের সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। তাঁর এ আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং যবিপ্রবির সুনাম আরও উজ্জ্বল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।









