পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নের হরতকি বাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরের কোদালের আঘাতে জামাই নিহত’র ঘটনায় শ্যালক হৃদয় দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে দুপুর দেড়টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এর আগে সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে নিহতের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে অভিনাশ শ্বশুরবাড়িতে কিছু নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে স্ত্রী মনিকা দাসকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সেই অর্থ ও গহনা ফেরত চান। এ সময় শ্বশুর শান্তি দাস, শ্যালক হৃদয় দাস ও স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শ্বশুর-শ্যালকসহ কয়েকজন তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করেন। এরপর অভিনাশ’র শ্বশুর কোদাল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
এ ঘটনায় নিহত অভিনাশ’র বাবা সুভাষ দাস বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আসামি করে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত অভিনাশ’র বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় নিহত অভিনাশ’র শ্যালক হৃদয় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।









