আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়ে দেশ-বিদেশে সাফল্য অর্জন করবে। তাদের শিক্ষা, অধিকার, নিরাপত্তা ও বিকাশ নিশ্চিত করা গেলে তারা ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
বক্তারা বলেন, কোনো কন্যাশিশু যেন শিক্ষা থেকে ঝরে না পড়ে এবং অল্প বয়সে বিয়ের শিকার না হয়। সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বাল্যবিবাহের কারণে কন্যাশিশুরা শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়। এতে তাদের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিটি শিশুর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মা-বাবা, শিক্ষক এবং সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শিশুদের মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে দূরে রেখে পড়াশোনা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে হবে। কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।
‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যাশিশু করবে বিশ্বজয়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়েছে। এ দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে র্যালি বের হয়। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহসিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম। অন্যান্যদের বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কিশোর কুমার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান এবং জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান। শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা ও আফিয়া নুসরাত।
জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম, বলেন
অমুসলিম দেশে নারীরা নিরাপত্তা থাকলেও আমাদের মুসলিম দেশে কেন নারীরা নিরাপদ নয়? আমারা সত্যিই যদি মুসলমান হয়ে থাকি, অবশ্যই আমাদের নারীদের নিরাপত্তা দিতে হবে।আমাদের মুসলিম দেশে একজন নারী সিএনজিতে করে নিরাপদে বাড়ি ফিরে পারে না।আমারা যদি সত্যিই মুসলমান হয়ে থাকি, তাহলে প্রত্যেক পুরুষে দায়িত্ব হলো নারীদের নিরাপত্তা দেওয়া।
#









