স্বামীর নির্যাতনে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন রওশনআরা বেগম। দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে বারবার মারধর ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা করেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি তার। বরং মামলা করার পর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এই নারী।
ঘটনাটি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের। নির্যাতনের শিকার রওশনআরা বেগমের অভিযোগ, বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা এনে স্বামীকে না দেওয়ার কারণে তার ওপর নেমে আসে শারীরিক নির্যাতন। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মিজানুর হাওলাদার।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রওশনআরাকে মারধর করে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মাথায় গুরুতর আঘাত থাকায় বৃহস্পতিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পটুয়াখালীতে রেফার করেন চিকিৎসকরা। দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে রওশনআরা বেগম এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
তবে অভিযুক্ত মিজানুর হাওলাদারের দাবি করেছেন মারধর নয় শুধু ঝগড়া বিবাধ হয়েছে। একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে কিন্তু মারধর করেন নাই বলে দাবি করেন।
এদিকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান গলাচিপা থানা পুলিশ।









