গলাচিপা প্রতিনিধি: গলাচিপা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের নজরুল প্যাদার একই জমি আলাদা আলাদা ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে বিরোধ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। জমির সুরাহা না হওয়ার আগেই স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কাইয়ুম মাহমুদ জোর জবরদস্ করে ঘর নির্মান করেছে। এব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারের কাজে অভিযোগ করলে গলাচিপা থানা পুলিশ ঘর উত্তোলন বন্ধ করে দেয়।
জানা গেছে, রতনদী মৌজার ৪টি দাগের দিয়ে সাংবাদিক হারুন অর রশিদের পিতা আপ্তার আলী হাওলাদার ১৯৮১ সালে নজরুল প্যাদাসহ ৬ ভাই বোনের কাছ থেকে ৪৮.৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে। বর্তমানে ২টি বাড়ি সহ সেখানে হারুন অর রশিদের দুই ভাই বসবাস করে। সাংবাদিক ও প্রভাষক হারুন অর রশিদ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন ও আবুল কাশেম তাদের নামে ৪৫ শতাংশ জমি দিয়ারা জরিপ করা হয়েছে। যা খতিয়ান খোলা হয়েছে ১৬৩১, সেটেলমেন্ট প্রেস ঢাকা, তারিখ ৩০.০৭.২০২৩খ্রি. অথচ নজরুল প্যাদাই নিজে থেকেই জরিপগুলোর ধাপ অতিক্রম করে ৩.৫ শতাংশ জমি কম দিয়েছে। উক্ত জমিতে শেখ হাসিনা সরকার পতনের আগে নজরুল প্যাদার ছেলে মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবু প্যাদা ৬ শতাংশ জমি ভরাট করে এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের পদধারী নেতা কাইয়ুম মাহমুদের কাছে বিক্রি করে দেয়।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক হারুন অর রশিদ গত ০৪.০৬.২০২৫ খ্রি. পটুয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর কাইয়ুম মাহমুদ এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গলাচিপা থানা পুলিশ সালিশি মানিয়ে দেয়। একাধিক সালিশি বৈঠকে সিদ্ধান্ত জরিপে কাইয়ুম মাহমুদকে কাগজপত্র আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করে আসতে বলা হয়। সে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী চেষ্টা করে। রবিবার সকালে কাইয়ুম মাহমুদ জোরপূর্বক ভাবে জায়গায় দখল করে ঘর নির্মান করে।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক হারুন অর রশিদ মুঠো ফোনে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো.আনোয়ার জাহিদের অভিযোগ করলে গলাচিপা থানার এস আই কামাল ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর উত্তোলনের কাজ বন্ধ করে দেয়।









