ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরে দাঁড়ানোর পর আসনটি শূন্য হয়েছে। তাঁর ছেড়ে আসা এই আসনে উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ।
দীর্ঘদিন ধরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে এবার বিএনপি কাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবে—এ প্রশ্নকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার প্রস্তুতি রয়েছে তাদের।
অন্যদিকে, মির্জা ফখরুলের অনুপস্থিতিকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলো। তারাও সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু করেছে। ফলে উপনির্বাচনকে ঘিরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো কাদের মাঠে নামাচ্ছে—তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে নির্বাচনের সমীকরণ। প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পরই ভোটের মাঠে কোন দলের অবস্থান কতটা শক্তিশালী, তা আরও স্পষ্ট হবে।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার ও প্রচারণার মধ্য দিয়ে এগোবে নির্বাচনী কার্যক্রম। শেষ পর্যন্ত মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে কে জয়ী হন, সেদিকেই এখন নজর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের।









