শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকান্ডের ভিডিও সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. জলিলুর রহমানকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরণ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত ২৬ জুলাই ওই কর্মচারীর অনৈতিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে ২৭ জুলাই বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শেখ মো: মাঈনুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটিকে তদন্ত করে তিনদিনের মধ্যে মতামত দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি ওই কর্মচারী জলিলুর রহমানের অপকর্মের বিষয়টি নিশ্চিত হন। প্রতিবেদন দাখিল করেন। যার প্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার, ৩১ জুলাই স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অভিযুক্ত জলিলুর রহমানকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী (অফিস সহাকারী) মো: জলিলুর রহমানের অশ্লীল, অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকান্ড ও উহার ছবি গত ২৬ জুলাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা সমাজের শালীনতা, নৈতিকতা এবং রুচিবোধকে তীব্রভাবে আঘাত করে। ফলে ছাত্র ও শিক্ষক সমাজে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তাই তাঁকে পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।
বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো: খলিলুর রহমান জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এনিয়ে কুয়াকাটার সমাজ উন্নয়ন কর্মী, সংগঠকরা ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন। পাশাপাশি সরাসরি এই অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়াকেও অসুস্থ মানসিকতা বলে মন্তব্য করেছেন। এব্যাপারে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে। গোটা বিষয়টি এখন ওখানকার আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।








