পটুয়াখালীর বাউফলে প্রকাশ্য রাস্তায় স্বামী- স্ত্রী ও সন্তানের উপর হামলায় ঘটনায় পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে মর্জিনা আক্তার বাদি হয়ে বাউফল থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মর্জিনা বেগম হচ্ছেন জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ডেল্টা গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদারের ভাই এবং এএফ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ফরিদ উদ্দিন তালুকদারের স্ত্রী।
জানা গেছে, ফরিদ উদ্দিন তালুকদার তাঁর স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে আলিফ তালুকদারের (২৩) বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বাউফল প্রেসক্লাবে মতবিনিময় শেষে সন্ধ্যার দিকে বেড় হয়ে যাওয়ার সময় ক্লাবের সামনের রাস্তায় পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশের নেতৃত্বে তাকেসহ স্ত্রী ও সন্তানের উপর হামলা করে এবং জখম ও শ্লীলতাহানি করে।
পরে খবর পেয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার বিকালে বাউফল প্রেসক্লাবে ফরিদ উদ্দিন তালুকদার মতবিনিময়ে নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করার পরই তার ও তার স্ত্রী – সন্তানের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। একই ইউনিয়ন থেকে হাজী পলাশ নির্বাচন করতে চান।
পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ওরফে হাজী পলাশ বলেন, “আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত নই। বরং আমার উপর ফরিদ উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর তালুকদার ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক সফল মাস্টারের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। আমি মিথ্যা মামলা দায়েরের নিন্দা জানাচ্ছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ১৫ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় মামলা করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।”







