মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনা এলাকায় একটি মসজিদের নামে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
রোববার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চরনাচনা গ্রামের বাসিন্দা গোলাম রসুল কুস্তি (পিতা: মৃত আব্দুল খালেক কুস্তি) জানান, মৃত মোমিন কুস্তির মেয়ে জহুরা বিবি জীবদ্দশায় স্থানীয় মসজিদের নামে মোট ৬.১২ শতাংশ জমির মধ্যে ৫ শতাংশ দান করেন। পরবর্তীতে জহুরা বিবির মৃত্যুর পর তিনি নিজ উদ্যোগে আরও ১ শতাংশ জমি মসজিদের জন্য দান করেন।
তার দাবি, এর বাইরে যে জায়গাটি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ মসজিদের নাম ব্যবহার করে অতিরিক্ত জমি দখলের চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
এ ঘটনায় সরোয়ার কুস্তি (৭০), পিতা: মৃত মাইনদ্দিন, আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে গোলাম রসুল কুস্তি বলেন, মসজিদের মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থে জমি দখল করতে না পারে। আমরা ন্যায়বিচার চাই এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য হলো তারা রাস্তার পাশ দিয়ে জমি নেবে ।
যেহেতু জমি দখলের অভিযোগটি এক পক্ষের দাবি এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তাই সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়ার সুযোগ রাখা সাংবাদিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে উপযুক্ত।









