সোহাগ কাজী, মাদারীপুর: মাদারীপুর সদর থানায় গ্রেপ্তার হওয়া হত্যা মামলার দুই আসামিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও সাত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) রাতে শহরের পুরাতন বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শহরের বাদামতলা এলাকার সবুজকে একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে এবং নতুন মাদারীপুর এলাকার আরিফ চৌকিদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি আরিফের বিরুদ্ধে থাকা ওয়ারেন্ট দেখতে চাইলে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
পরে গ্রেপ্তার দুজনকে সদর থানায় নেওয়া হলে তাদের স্বজন ও সমর্থকরা থানার সামনে জড়ো হয়ে আসামিদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আরও সাতজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন, শান্ত ঢালী (২০), সালমান ঢালী (১৯), আবির ঢালী (১৯), আজিম ঢালী (১৮) ও সাহেব বেপারী (১৭)। বাকি দুইজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের সবার বাড়ি নতুন মাদারীপুর এলাকায়।
ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা থানায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। থানা এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয়দের দাবি, তিন মাস আগে ডিস ব্যবসায়ী আলমগীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন এজাহারভুক্ত আসামি। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাদারীপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিয়া রফিক ভাবনা জানান, নিয়মিত অভিযানে আরিফ ও সবুজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।









