আহাম্মেদ ইব্রাহিম অরবিল, দশমিনা: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে তেঁতুলিয়া এবং বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে ৫ স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি দেয়া হয়েছে। এই ২টি নদীতে আজ ৪-২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মাছের অভয়াশ্রমে সকল ধরনের মৎস্য শিকারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। মৎস্য সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর, থানা পুলিশ, নৌপুলিশ ফাঁড়ি, কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সমন্বয়ে জাটকা এবং মা ইলিশ মাছ সংরক্ষণে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ৭-৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ইলিশ মাছের অভয়াশ্রম হিসাবে পরিচিতি রয়েছে। এই অভয়াশ্রমে সুযোগ পেলেই কিছু অসাধু জেলে মা ইলিশ মাছ নিধনে মরিয়া হয়ে যায়। জেল-জরিমানা উপেক্ষা করেই মা ইলিশ নিধনে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এই বছর মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর, থানা পুলিশ, নৌপুলিশ ফাঁড়ি, কোস্টগার্ড ও বাংলাদশ নৌবাহিনীর সদস্যরা নদীতে সার্বক্ষনিক টহলে থাকবে।
এদিকে, আজ (শনিবার) সকালে ২টি নদীতে নৌপুলিশ ফাঁড়ি, কোস্টগার্ড ও বাংলাদশ নৌবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই টহল অব্যাহত থাকবে।
দশমিনা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইরতিজা হাসান জানান, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ এবং বিশ্বের মধ্য ইলিশ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বাংলাদশে প্রথম। এই বছর মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণে আমরা শতভাগ সফল হবো বলে আশাবাদী।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল আলিম জানান, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ইলিশ সংরক্ষণে পুলিশ সার্বক্ষনিক সহযোগিতা করবে।
উপজেলা মেরিন ফিসারিজ’র কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ২টি নদীতেই ২৪ ঘন্টা টহলে থাকবে। এই বছর মৎস্য সংরক্ষণ আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের চেয়ে জেল-জরিমানা সংশোধন করে বাড়ানো হয়েছে।









