মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া: আমার বাবা নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি। আমি বর্তমানে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য। আমার মেজ ভাই ইউনিয়ন কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। অপর এক ভাই ওয়ার্ড যুবদল সাধারণ সম্পাদক। সবচেয়ে ছোট ভাই ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক ও আমার ছেলে এমবি কলেজ ছাত্রদল সিনিয়র সহসভাপতি। আমার গোটা পরিবার বিএনপি করায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে আমাদের পরিবারের উপর স্টীম রোলার চালানো হয়েছে। সবশেষ ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগের নীলগঞ্জ ইউনিয়ন সহসভাপতি সুনিল মিত্রের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ইউনিয়ন সভাপতি সুমন মিত্র, অপর ছেলে কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাওন মিত্রের নেতৃত্বে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। করা হয় ভাংচুর। এতো কিছুর পরও এই ফ্যাসিবাদী চক্র থেমে নেই। নতুন করে আমিরাবাদ গ্রামের কথিত একটি ডাকাতি মামলায় জড়ানোর মাস্টারপ্ল্যান করে আসছে। আমার ও আমার পরিবারকে হয়রানি করতে একটি মহলের ষড়যন্ত্রে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সুনিল মিত্রের স্ত্রী মমতা রাণী ও আরেক হোতা নিখিল কর্মকার, তার স্ত্রী শিলা রানীর যোগসাজশে মুলতঃ আমার ক্রয় করা ৩৬ শতাংশ জমি দখল করতে মরিয়া হয়ে লেগেছে। ওই জমির বিরোধীয় মামলায় হেরে যাওয়ার প্রাথমিক ডিক্রীতে দিশাগ্রস্ত হয়ে এমনসব অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিএনপি নেতা আলহাজ ফজলুল হক মৃধা অতি সম্প্রতি কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, ‘ আমার পাখিমারা বাজারে ১২ টি দোকানঘর রয়েছে। এসব দখল করতে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের এই দোসররা এখনো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমিসহ আমার গোটা পরিবার কে বড় ধরনের ক্ষতির জন্য নীল নকশা করা হয়েছে। ফজলুল হক মৃধা আজ বুধবার আবারও তার এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে গণমাধ্যমের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি নিখিল কর্মকারের বাড়ির কথিত ডাকাতির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
এসময় নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শহীদ মাতুব্বরসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন আমিরাবাদ ও পাখিমারা গ্রামের হিন্দু পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। তারাও গোটা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন। বর্তমানে এ ঘটনায় নীলগঞ্জ ইউনিয়ন জুড়ে আলোচনা চলছে।









