মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া: যৌতুকের কারণে স্বামীর মারধর সইতে না পেরে রহিমা বাবা-মায়ের বাড়িতে চলে এসেও রক্ষা হয়নি। শ্বশুর বাড়িতে এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে স্ত্রী রহিমা বেগম (২৫) ও শাশুড়ি রাণী বেগমকে (৫০) বেধড়ক কুপিয়ে জখম করেছে পাষন্ড মিরাজ হাওলাদার। সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে জামাই রিাজ হাওলাদার নারকীয়ভাবে অতর্কিত এই হামলা চালায়। বেধড়ক কোপায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পশ্চিম নিশানবাড়িয়া গ্রামের এ ঘটনায় মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় মা-মেয়েকে প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা শেষে বরিশাল প্রেরণ করা হয়। আহতদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাঁদেরকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
রহিমার চাচা বশির ফকির জানান, চার বছর আগে একই ইউনিয়নের উত্তর চাকামইয়া গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মিরাজ হাওলাদারের সঙ্গে রহিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে রহিমাকে মিরাজ মারধর করত। মানসিকভাবে তাকে বিপর্যস্ত করে তোলে। কয়েকদিন আগে নির্যাতন সইতে না পেরে রহিমা একমাত্র শিশু সন্তানকে নিয়ে বাবা-মায়ের কাছে চলে আসে। পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত হয় রহিমা তার স্বামীর সঙ্গে সংসার করবে না। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে পাষন্ড মিরাজ হাওলাদার সোমবার গভীর রাতে শ্বশুর বাড়িতে এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে নৃশংস হামলা চালায়। কুপিয়ে জখম করে স্ত্রী ও শাশুড়িকে। ঘটনার পর থেকে মিরাজ গা ঢাকা দিয়েছে। কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









