দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়াতে গেলে দুই স্কুল শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহতের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের ০৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন কাউনিয়া গ্রামের মনির মোল্লার ছেলে এবং দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থী মোঃ আশিক(১০) এবং জুলাশ মোল্লার ছেলে এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।জুবায়ের(৮) অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) আকই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল বেলা আশিক ও জুবায়ের প্রতিদিনের মতো খেলাধুলা করতে বের হয়েছিলো। ইমাম মোল্লাল আম গাছের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় আম পরে থাকতে দেখে দুই শিক্ষার্থী আম কুড়ায়। ইমাম মোল্লা দেখতে পেয়ে তাদের দুইজনকে আটকে বেদম মারধর করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এত করে আশিক গরুত্বর আহত হয়। দুইজনের ডাকচিৎকার শুনে এলাকার লোকজন রক্ষা করতে গেলে তাদের অনেকে অপমান অপদস্ত করেন।
পরে দুই শিক্ষার্থী অঞ্জান হয়ে পরলে এলাকার লোকজন আহত আশিক ও জুবায়েরকে অটোরিকশা যোগে দশমিনা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। আশিকের অবস্থা আশংখাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ এইচ এম আলভি উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শে-রে-ই বাংলা হাসপাতালে প্রেরন করেন।
আহত আশিক জানায়, আমি কাউনিয়া স্কুল মাঠে খেলাধুলা কওে বাড়ি ফিরছিলাম। গাছের নিচে পড়ে থাকতে দেখে আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। আমি আমি গাছ থেকে আম পরিনি। ইমাম কাকা আমাকে আম কুড়াতে দেখে লাঠি নিয়ে মারতে আসে পিটায় ও বুকে লাথি মারে আমি অসুস্থ হয়ে পরলে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের পিটিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রাখে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে,এটা ভাবতেই পারছি না। আমার ছেলেকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল যাচ্ছি। আমার ছেলে বাঁচলে সব হবে।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লা বলেন, ওরা ছোট মানুষ। কি বয়স কি বা বুজ হয়েছে আমের জন্য আমার সন্তাানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই। আমি আইনের আশ্রয় গ্রহন করবো।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লা জানান, আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ মিথ্যা। আমি কোন শিক্ষার্থী বা ছেে দের মারধর করিনি। ওরা আমার আম গাছ থেকে আম পারছিলো ধাওয়া দিলে দৌড়ে চলে যায়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবু সাহাদাৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ জানান, ঘটনার বিষয় জানার পর হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।









