পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় জমি দখল, বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান গাজী।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহিপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে শাহজাহান গাজী অভিযোগ করেন, বরিশালের বানারিপাড়া উপজেলার কুনদিহার গ্রামের বাসিন্দা খন্দকার মো. গোলাম হায়দার সেন্টু দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। তিনি জানান, পটুয়াখালীর লতাচাপলী মৌজার কুয়াকাটা এলাকায় এসএ খতিয়ান নং ৪৮৫-এর ৫৩৯২, ৫৩৯৩, ৫৩৯৪, ৫৩৯৫, ৫৩৯৬, ৫৪০২ ও ৫৪০৪ নম্বর দাগভুক্ত মোট ৬ একর ৮০ শতাংশ জমির মধ্যে ১ একর জমির মালিক ছিলেন তার পিতা মৃত ইয়াকুব আলী গাজী। পিতার মৃত্যুর পর তিনি, তার এক ভাই ও পাঁচ বোন ওয়ারিশ সূত্রে জমিটির মালিকানা ভোগ করছেন।
তিনি আরও জানান, জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন স্থানে অবস্থানের সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং একাধিকবার তাকে মারধর করেন। এ ঘটনায় আদালতের শরণাপন্ন হলে রায় তার পক্ষে আসে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের সার্ভেয়ার ও থানা পুলিশের উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে ৮৮ শতাংশ জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ওই জমিতে তিনি বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে খন্দকার গোলাম হায়দার সেন্টুর নেতৃত্বে তার ভাগিনা তুহিনসহ শতাধিক লোক তার বসতবাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘর ভাঙচুর করে ভেকু মেশিন দিয়ে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়। এ সময় ট্রাকযোগে ঘরের কাঠ, টিন, ১৬৫ বস্তা সিমেন্ট, রড ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত খন্দকার মো. গোলাম হায়দার সেন্টুর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শাহজাহান গাজী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে নিজ জমিতে নিরাপদে বসবাসের নিশ্চয়তা দাবি করেন।









