প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার পর চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহে মাঠে নেমেছে ডিজিএফআই, এনএসআই ও পুলিশের এসবিসহ বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা।
গত এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করছেন। নেপথ্যের গডফাদারসহ চাঁদাবাজদের তথ্য চাওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চাওয়া হয়েছে।
ঢাকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আলোচিত কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নামও চলে এসেছে চাঁদাবাজিতে।
পুলিশের আইজি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, চাঁদাবাজিকে ‘জিরো টলারেন্স’। স্পষ্ট বার্তা চাঁদাবাজির সঙ্গে যত বড় প্রভাবশালীই হোক তাকে পাকড়াও করা হবে। এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার পর তালিকা সংগ্রহ চলছে। হাতে পেলেই অভিযান শুরু হবে। এ ব্যাপারে পুলিশের প্রত্যেকটা ইউনিটকে সজাগ রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আসলে চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। এরা সব সময় নিজেদের সুবিধা আদায়ে রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে। অতীতের তালিকাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করবে।
গোয়েন্দাদের মতে, শুধু গুলিস্তানেই বার্ষিক চাঁদাবাজির পরিমাণ অন্তত অর্ধশত কোটি টাকা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে বলেও জানা যায়।









